The power of the Court to grant bail is dealt with in Sections 496 and 497 for the Code of Criminal Procedure, 1898.
জামিন বিষয়ে আদালতের ক্ষমতা সম্পর্কে ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৬ ও ৪৯৭ ধারায় আলোচনা করা হয়ছে।
ফৌজদারী কার্যবিধি
১৮৯৮
The
Code of Criminal Procedure 1898
১৮৯৮ সনের ৫ নং আইন ১লা জুলাই
হইতে কার্যকর। ধারা ৫৬৫ পর্যন্ত।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪(১)(ক) : এডভোকেট ।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪(১)(কক) : এটর্নী জেনারেল।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪(১)(খ) : জামিনযোগ্য
অপরাধ ।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪(১)(গ) : অভিযোগ।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪(১)(চ) : আমলযোগ্য
অপরাধ।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪(১)(জ) : নালিশ।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪(১)(ট): অনুসন্ধান।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪(১)(ঠ) : তদন্ত ।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪(১)(ড) ও বিচারিক কার্যক্রম।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪(১) (ঢ) : আমলের-অযোগ্য
অপরাধ।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা-৪(১)(ণ) : অপরাধ ।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪(১)(ত) : থানার ভারপ্রাপ্ত
অফিসার।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪(১)(ধ) : থানা।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪(১)(ম) : পাবলিক প্রসিকিউটর।
(৪৯২ অনুসারে)
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৬ : ফৌজদারী আদালতের
শ্রেণীবিভাগ।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৭ : দায়রা বিভাগ।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৯ : দায়রা আদালত।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১০ : নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১১ : বিচার ম্যাজিস্ট্রেট।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১২ : বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ২৮ : দণ্ডবিধি অধীন
অপরাধ।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ২৯ : অন্যান্য আইনের
অধীন অপরাধ।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ২৯(গ) : ম্যাজিস্ট্রেটগণের
বিশেষ ক্ষমতা।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৩১ : হাইকোর্ট বিভাগ
ও দায়রা আদালত যে দণ্ড দিতে পারেন।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৩২ : ম্যাজিস্ট্রেটগণ
যেই দণ্ড দিতে পারেন।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৩৩ (ক) : কতিপয় ম্যাজিস্ট্রেটগণের
উচ্চতর ক্ষমতা।
Ø
সাধারনভাবে গ্রেফতার :
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪৬ : গ্রেফতারের পদ্ধতি।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৫০ : গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির
উপর প্রয়োজন অতিরিক্ত বাধা প্রদান না করা।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৫১ : গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির
দেহ তল্লাশি।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৫২ : মহিলার দেহ তল্লাশির
পদ্ধতি।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৫৩ : অপরাধজনক অস্ত্র
আটক।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৫৪ : যখন পুলিশ বিনা
পরোয়ানায় গ্রেফতার করিতে পারে
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৫৯ : বে-সরকারী ব্যক্তি
কর্তৃক গ্রেফতার।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৬০ : উক্তরূপ গ্রেফতারকৃত
ব্যক্তিকে ম্যাজিস্ট্রেট বা থানায় উপস্থাপন
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৬১ : গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে
২৪ ঘন্টার বেশী আটক রাখা যাইবে না
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৬২ : গ্রেফতার সম্পর্কে
পুলিশ রিপোর্ট।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৬৩ : গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির
অব্যাহতি।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৬৪ : ম্যাজিস্ট্রেটের
উপস্থিতিতে অপরাধ সংঘটন।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৭৫ : গ্রেফতারীপরোয়ানা।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৮১ : গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে
আদালতে উপস্থিত করা।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৮২ : গ্রেফতারী পরোয়ানা
কার্যকরকরণ।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৮৩ : অধিক্ষেত্রের বাহিরে
পরোয়ানা কার্যকর।
Ø
হুলিয়া ও ক্রোক :
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৮৭ : পলাতক ব্যক্তির
হুলিয়া।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৮৮ : পলাতক ব্যক্তির
সম্পত্তি ক্রোক।
Ø
তল্লাশি :
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৯৬ : তল্লাশি পরোয়ানা
জারী।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৯৮ : চোরাই মাল বা জাল
দলিল উদ্ধারের জন্য বাড়ী তল্লাশি।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১০০ : বে-আইনীভাবে আটক
ব্যক্তি উদ্ধারের জন্য তল্লাশি।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা১০৩ : সাক্ষীর উপস্থিতিতে
তল্লাশি করিতে হইবে।
Ø
শান্তিরক্ষার জন্য মুচলেকা :
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১০৬ : দণ্ডিত হইবার
পর শান্তিরক্ষার জন্য মুচলেকা।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১০৭ : শান্তিরক্ষা ও
সদাচরণের জন্য মুচলেকা। (এক বছরের জন্য)
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১০৮ : রাষ্ট্রদ্রোহী
বিষয়ে প্ররোচনাকারী সদাচরনের মুচলেকা।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১০৯ : ভবঘুরে এবং সন্দেহজনক
ব্যক্তিদের সঙ্গত আচরণের জন্য মুচলেকা।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১১০ : অভ্যাসগত অপরাধীর
নিকট হইতে সদাচরণের জন্য মুচলেকা গ্রহণ।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১১৪ : আদালতে অনুপস্থিত
ব্যক্তির ক্ষেত্রে সমন বা ওয়ারেন্ট।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১৪৪ : জরুরী ক্ষেত্রে
অস্থায়ী আদেশ।
Ø
স্থাবর সম্পত্তির দখল সংক্রান্ত বিরোধ :
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১৪৫ : স্থাবর সম্পত্তি
সংক্রান্ত বিরোধের নিষ্পত্তি।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১৪৬ : বিরোধীয় সম্পত্তি
ক্রোক করার ক্ষমতা।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১৪৭ : স্থাবর সম্পত্তি
ব্যবহার সংক্রান্ত বিরোধের নিষ্পত্তি।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১৪৮ : স্থানীয় অনুসন্ধান।
Ø
পুলিশ তদন্ত :
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১৫৪ : আমলযোগ্য মামলার
সংবাদ, বা এজাহার।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১৫৫ : আমলের অযোগ্য
মামলার সংবাদ ও তদন্ত।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১৫৬ : আমলযোগ্য মামলার
তদন্ত ।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১৫৭ : আমলযোগ্য অপরাধ
সম্পর্কে সন্দেহ হইলে ।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১৫৮ : ১৫৭ ধারা রিপোর্ট
দাখিলের পদ্ধতি ।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১৬০ : পুলিশ অফিসার
কর্তৃক থানায় সাক্ষী তলব ।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১৬১ : পুলিশ কর্তৃক
জবানবন্দী লিপিবদ্ধকরন।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১৬২ : পুলিশের নিকট
প্রদত্ত জবানবন্দীতে সাক্ষীর স্বাক্ষর অপ্রয়োজনীয়।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১৬৩ : জবানবন্দী প্রদানের
জন্য হুমকি, প্রলোভনের প্রস্তাব দেয়া যাইবে না
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১৬৪ : ম্যাজিস্ট্রেট
কর্তৃক জবানবন্দী লিপিবদ্ধকরন।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১৬৫ : পুলিশ অফিসার
কর্তৃক তল্লাশি।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১৬৬ : তল্লাশি পরোয়ানা
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বরাবরে ইস্যু।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১৬৭ : পুলিশ রিমান্ড
।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১৬৮ : অধস্তন পুলিশ
অফিসার কর্তৃক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট তদন্তের রিপোর্ট প্রদান।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১৬৯ : অপর্যাপ্ত সাক্ষ্যের
জন্য আসামীর মুক্তি প্রদান।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১৭০ : সাক্ষ্য পর্যাপ্ত
হইলে মামলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরন।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১৭১ : অভিযোগকারী বা
সাক্ষীকে পুলিশের সহিত যাইতে বলা যাইবে না।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১৭২ : তদন্ত ও ডায়েরী।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১৭৩ : পুলিশ রিপোর্ট।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১৭৪ (১) : পুলিশ অফিসার
কর্তৃক সুরতহাল রিপোর্ট (মৃত্যু/আত্মহত্যা)।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা১৭৪ (৩) : ময়না তদন্তের
জন্য প্রেরণ।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১৭৫ : ১৭৪ ধারার সাক্ষী
তলব।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১৭৬(১) : পুলিশ হেফাজতে
মারা গেলে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক সুরতহাল রিপোর্ট।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১৭৬(২) : ম্যাজিস্ট্রেট
কর্তৃক কবর হইতে লাশ উত্তোলন।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১৭৭ : অনুসন্ধান ও বিচারের
সাধারণ স্থান।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১৭৮ : বিভিন্ন দায়রা
বিভাগে মামলার বিচার।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১৭৯ : অপরাধ সংঘটনের
স্থান বা পরিণাম ঘটিবার স্থানে বিচার হইবে।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১৮০ : কৃত কাজ যে ক্ষেত্রে
অন্য কোন অপরাধের কারণে অপরাধ।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১৮১ : ঠগ অথবা ডাকাতের
দলভুক্ত হওয়া, হেফাজত হইতে পলায়ন করা ইত্যাদি।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১৮২ : অপরাধের স্থান
যেখানে অনিশ্চিত সেই ক্ষেত্রে অনুসন্ধান বা বিচারের স্থান।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১৮৩ : ভ্রমণকালে সংঘটিত
অপরাধ।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১৮৪ : সন্দেহের ক্ষেত্রে
হাইকোর্ট বিভাগ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিবেন।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১৮৫ : স্থানীয় অধিক্ষেত্রের
বাহিরে সংঘটিত অপরাধের জন্য সমন বা পরোয়ানা জারি।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১৮৬ : অধীন ম্যাজিস্ট্রেট
পরোয়ানা ইস্যু করিলে।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১৮৮ : বাংলাদেশের বাহিরে
সংঘটিত অপরাধ।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১৯০ : ম্যাজিস্ট্রেট
কর্তৃক অপরাধ আমলে গ্রহণ।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১৯৩ : দায়রা আদালত
কর্তৃক অপরাধ আমলে গ্রহণ।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ১৯৫ : আদালতের অনুমতি
সাপেক্ষে কতিপয় মামলা
Ø
মজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ :
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ২০০ : ফরিয়াদীর জবানবন্দী
গ্রহণ।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ২০১ : নালিশ ফেরৎ, বা
উপযুক্ত আদালতে যাওয়ার নির্দেশ
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ২০২ : পরোয়ানা বা ওয়ারেন্ট
ইস্যু স্থগিত রাখার নির্দেশ।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ২০৩ : নালিশ খারিজকরণ।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ২০৪ : পরোয়ানা/ওয়ারেন্ট
প্রেরণ/প্রদানের নির্দেশ।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ২০৫ : ব্যক্তিগত হাজিরা
হইতে রেহাই।।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ২০৫ (গ) : বিচারের জন্য
দায়রা আদালতে মামলা প্রেরণ।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ২০৫ (গগ) : বিচারের
জন্য সিএমএম/সিজেএম আদালতে মামলা প্রেরণ
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ২০৫ (ঘ) : কার্যক্রম
স্থগিত।
Ø
অভিযোগ :
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ২২১ : অভিযোগে অপরাধের
বিবরন থাকিবে,
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ২২২ : অভিযোগে সময়,
স্থান ও ব্যক্তি সম্পর্কে বিবরন থাকিবে,
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ২২৩ : অভিযোগে অপরাধ
সংঘটনের পদ্ধতি সম্পর্কে বিবরন থাকিবে
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ২২৪ : যেই আইনের অধীনে
অপরাধ দণ্ডনীয় তাহার বর্ণনা থাকিবে।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ২২৭ : রায় প্রকাশের
পূর্বে যেই কোন সময় অভিযোগ পরিবর্তন।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ২৩১ : অভিযোগ পরিবর্তিত
হইলে সাক্ষীকে পুনরায় তলব করা যাইবে ।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ২৩৩ : পৃথক অপরাধের
জন্য পৃথক অভিযোগ হইবে।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ২৩৪ : একই ধরনের তিনটি
অপরাধ ১ বছরের মধ্যে সংঘটিত হইলে,
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ২৩৫ : একাধিক অপরাধের
বিচার।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ২৩৬ : কি অপরাধ সংঘটিত
হইয়াছে সেই সম্পর্কে অনিশ্চিত হইলে ।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ২৩৭ : এক অপরাধে অভিযুক্ত
ব্যক্তিকে অন্য অপরাধে দণ্ডিত করা যাইবে।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ২৩৯ : যেই ব্যক্তিদের
একত্রে অভিযুক্ত করা যাইবে।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধার ২৪০ : একাধিক অপরাধের
একটিতে দণ্ডিত হইলে অবশিষ্টগুলি প্রত্যাহার ।
Ø
ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কর্তৃক বিচার পদ্ধতি:
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ২৪১ (ক) : প্রাথমিক
শুনানীর পর আসামীকে অব্যাহতি।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ২৪২ : চার্জ বা অভিযোগ
গঠন ।।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ২৪৩ : চার্জ বা অভিযোগ
স্বীকারের ভিত্তিতে দণ্ড।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ২৪8 : অভিযোগ অস্বীকার
করিলে সাক্ষ্যগ্রহণ।।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ২৪৫ : সাক্ষ্য গ্রহণ
শেষে আইন অনুসারে দণ্ড বা খালাস।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ২৪৭ : ফরিয়াদী উপস্থিত
না হইলে আসামীকে খালাস দিতে পারেন।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ২৪৮ : নালিশ প্রত্যাহারে খালাসের আদেশ।
ফরিয়াদী না থাকিলে কার্যক্রম বন্ধ করিতে পারে
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ২৪৯ : নালিশী মামলায়
ফরিয়াদী না থাকিলে কার্যক্রম বন্ধ করিতে পারেন এবং আসামীকে খালাস দিতে পারেন।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ২৫০ : মিথ্যা মামলায়
সংবাদাতাকে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিতে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিতে পারেন ।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ২৬০ : সংক্ষিপ্ত বিচার
পদ্ধতি।
Ø
দায়রা আদালতে বিচার পদ্ধতি :
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ২৬৫ ক : পাবলিক প্রসিকিউটর মামলা পরিচালনা করিবেন।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ২৬৫ গ : প্রাথমিক শুনানীর
পর আসামীকে অব্যাহতি,
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ২৬৫ ঘ : চার্জ বা অভিযোগ
গঠন,
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ২৬৫ ঙ : আসামী চার্জ
বা অভিযোগ স্বীকারের ভিত্তিতে দণ্ড,
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ২৬৫ ছ : বাদীপক্ষের
সাক্ষ্য গ্রহণ,
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ২৬৫ জ : খালাস,
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ২৬৫ ঞ : যুক্তিতর্ক,
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ২৬৫ ট : দণ্ড বা খালাস।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৩৩৭ : দুষ্কর্মের সহযোগীকে
ক্ষমা প্রদর্শন।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৩৩৯ খ : আসামীর অনুপস্থিতিতে
বিচার।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৩৩৯ গ : মামলা নিষ্পত্তির
সময় ।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৩৪০ : আসামীর আত্মপক্ষ
সমর্থন ও সাক্ষী হইবার যোগ্যতা।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৩৪২ : আসামীর পরীক্ষা
বা জবানবন্দী গ্রহন।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৩৪৪ : কার্যক্রম স্থগিত
(সময়ের আবেদন)।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৩৪৫ : অপরাধের আপোষ
নিষ্পত্তি।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৩৫২ : আদালত উন্মুক্ত
থাকিবে।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৩৫৩ : আসামীর উপস্থিতিতে
সাক্ষ্য গ্রহণ করিতে হইবে।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৩৫৪ : ম্যাজিস্ট্রেট
ও দায়রা জজের সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করিবার পদ্ধতি।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৩৫৭ : সাক্ষীর সাক্ষ্য
মাতৃভাষায় লিপিবদ্ধ হইবে।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৩৬০ : সাক্ষীর সাক্ষ্য
সমাপ্ত হইলে আসামী বা তাহার কৌসুলীর উপস্থিতিতে পড়িয়া শোনাইতে হইবে।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৩৬১ : আসামী বা তাহার
কৌসুলীর নিকট সাক্ষ্যের ব্যাখ্যা বুঝাইতে হইবে।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৩৬৩: সাক্ষীর জবানবন্দীর
সময় গুরুত্বপূর্ণ মনে করিলে তাহার আচরণ লিপিবদ্ধ করিতে পারিবেন।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৩৬৪ : আসামীর জবানবন্দী
লিপিবদ্ধ করিবার পদ্ধতি।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৩৬৬ : রায় ঘোষণা।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৩৬৭ : রায়ের ভাষাএেবং
বিষয়বস্তু।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৩৬৮ : মৃত্যুদণ্ডাদেশ।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৩৬৯ : রায় পরিবর্তন
না করা।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৩৬৬ : দায়রা আদালতের
রায় প্রেরণ।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৩৭৪ : দায়রা আদালতের
মৃত্যুদণ্ডাদেশ হাইকোর্টে পেশ।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৩৭৬ : হাইকোর্ট কর্তৃক
মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদন।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৩৮১ : মৃত্যুদণ্ডাদেশ
কার্যকরকরন।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৩৮২ : গর্ভবতী স্ত্রীলোকের মৃত্যুদণ্ড স্থগিত।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ২৯৯ : তরুণ অপরাধীকে
সংশোধনাগারে আটক রাখা ।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪০১ : সরকার কর্তৃক
দণ্ড স্থগিত বা মওকুফ ।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪০২ : সরকার কর্তৃক
দণ্ড পরিবর্তন।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪০২ ক : রাষ্ট্রপতি
মৃত্যুদণ্ড মওকুফ।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪০৩ : একবার খালাস বা
দণ্ডিত করিলে পূনরায় বিচার করা যাইবে না
Ø
আপীল :
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪০৪ : বিধান না থাকিলে
আপীল চলিবে না ।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪০৫ : ক্রোককৃত সম্পত্তির
আপীল।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪০৬ : শান্তি রক্ষা
বা সদাচরনের মুচলেকার আদেশের বিরুদ্ধে আপীল
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪০৭ : দ্বিতীয় বা তৃতীয়
ম্যাজিস্ট্রেট প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে আপীল
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪০৮ : যুগ্ম দায়রা
ও প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের দণ্ডাজ্ঞার বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে আপীল
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪০৯ : দায়রা আদালতে
আপীল শুনানী,
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪১০ : দায়রা আদালত
প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপীল।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪১২ : আসামী দোষ-স্বীকার
করিলে প্রদত্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল চলিবে না
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪১৩ : মূল শাস্তিস্বরূপ
কারাদণ্ড না দিয়া জরিমানা অনাদায়ে কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে কোন আপীল চলিবে না,
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪১৪ : মামলায় সংক্ষিপ্ত
বিচারে ২০০ টাকা জরিমানা করিলে আপীল চলিবে না,
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪১৭ খালাশের বিরুদ্ধে
আপীল,
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪১৭ক : অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশের
বিরুদ্ধে আপীল,
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪১৮ : যেই সকল বিষয়ে
আপীল গ্রহণযোগ্য
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪১৯ : আপীলের আবেদন
লিখিত হইবে
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪২০ : কারাগারে থাকাকালীন
আপীলের পদ্ধতি,
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪২১ : আপীল সংক্ষিপ্তভাবে
খারিজ,
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪২২ : আপীলের নোটিশ
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪২৩ : আপীল নিষ্পত্তিতে
আপীল আদালতের ক্ষমতা
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪২৫ : আপীলে হাইকোর্ট
বিভাগের আদেশ নিম্ন আদালতে প্রেরণ
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪২৬ : আপীল আদালতে জামিন।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪২৭ : আপীলে দণ্ড স্থগিত
রাখিয়া আপীলকারীকে জামিনে মুক্তি দান,
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪২৮ : আপীল আদালতের
অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ,
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪৩০ : আপীল আদালতের
প্রদত্ত রায় বা আদেশ চুড়ান্ত
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪৩১ : আপীলকারী বা আসামী
মারা গেলে আপীল পন্ড
Ø
রিভিশন :
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৩৩৫ : নিম্ন আদালতের
নথি তলবের ক্ষমতা
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪৩৬ : অনুসন্ধানের আদেশ
প্রদানের ক্ষমতা
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪৩৮ : হাইকোর্ট বিভাগে
রিপোর্ট প্রদান,
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪৩৯ : হাইকোর্ট বিভাগের রিভিশন ক্ষমতা
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪৩৯ ক : দায়রা জজের রিভিশন ক্ষমতা।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪৪০ : পক্ষগণের বক্তব্য শ্রবণ আদালতের ইচ্ছাধীন।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪৭৬ : ১৯৫ ধারার কার্যক্রম।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪৮৮ : ভরণ পোষণ। (বাতিল)
।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪৯১ : হেবিয়াস কর্পাস।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪৯২ : পাবলিক প্রসিকিউটর
নিয়োগ
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪৯৩ : ব্যক্তিগত কৌসুলী
পাবলিক প্রসিকিউটরের নিয়ন্ত্রণাধীন
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪৯৪ : পাবলিক প্রসিকিউটর
কর্তৃক মামলা প্রত্যাহার
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪৯৫ : সরকার পক্ষে মামলা
পরিচালনার অনুমতি। (ব্যক্তিগত কৌসুলী নিয়োগ)
Ø
জামিন :
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪৯৬ : যে সকল ক্ষেত্রে
জামিনযোগ্য অপরাধে জামিন পাওয়ার অধিকারী।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪৯৭ : জামিনের অযোগ্য
অপরাধে আসামীর জামিন মঞ্জুর।।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪৯৮ : জামিন সংক্রান্তে
দায়রা আদালত এবং হাইকোর্ট-এর ক্ষমতা
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৪৯৯ : আসামী ও জামিনদারের
মুচলেকা
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৫০০ : জেল হেফাজত হইতে
মুক্তিদান।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৫০২ : জামিনদারের অব্যাহতি।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধার ৫০৯ : চিকিৎসক সাক্ষীর
জবানবন্দী ও তলব ।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধার ৫০৯ক : ময়না তদন্তের
রিপোর্ট।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৫১০ : রাসায়নিক পরীক্ষক,
রক্ত পরীক্ষক ইত্যাদির প্রতিবেদন।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৫১০ক : হলফনামার মাধ্যমে
রীতিসিদ্ধ সাক্ষ্য।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৫১১ : পূর্ববর্তী দণ্ড
বা খালাশের প্রদান।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৫১২ : আসামীর অনুপস্থিতিতে
সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরন।
মামলা স্থানান্তর :
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৫২৫ক : মামলা স্থানান্তরের
জন্য আপীল বিভাগে আবেদন,
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৫২৬ : মামলা স্থানান্তরের
জন্য হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন,
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৫২৬খ : দায়রা আদালতের
মামলা স্থানান্তরের ক্ষমতা,
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৫২৮(১) : যুগ্ম দায়রা
হইতে দায়রা আদালতের মামলা স্থানান্তরের ক্ষমতা,
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৫২৮(২) : ম্যাজিস্ট্রেট
আদালতসমূহের মামলা স্থানান্তরের ক্ষমতা।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৫৩৯ : যেই সকল আদালত
বা ব্যক্তির সামনে এফিডেভিট করা যায়।
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৫৪০ : সাক্ষী পুনরায়
তলব (Recall)
ফোঃ কাঃ বিঃ ধারা ৫৬১ক : হাইকোর্ট বিভাগের
সহজাত ক্ষমতা।
ধারা...........
ফোঃ কাঃ বিঃ শেষ ধারা ৫৬৫: পূর্বে দন্ডিত অপরাধীগনের ঠিকানা অবগত করার আদেশ
বাংলাদেশ দন্ডবিধি আইন
দন্ডবিধি আইন-১৮৬০ সালের ৪৫নং আইন
দঃবিঃ ধারা ১১ ব্যক্তিঃ- ব্যক্তি বলিতে সমিতিভূক্ত হউক বা না হউক, যে কোন কোম্পানী বা সমিতি বা ব্যক্তি সংস্থা ও বুঝাইবে।
দঃবিঃ ধারা ১২ জনগনঃ- জনগন বলিতে যে
কোন শ্রেণীর জনগন বা সম্প্রদায় বুঝাইবে ।
দঃবিঃ ধারা ১৭ সরকারঃ- “সরকার” বলিতে
বাংলাদেশ বা উহার কোন অংশে কার্য নির্বাহী সরকার পরিচালনা করিবার জন্য আইন বলে ক্ষমতা
প্রাপ্ত ব্যক্তি বা ব্যক্তি বর্গকে বুঝাইবে ।
দঃবিঃ ধারা ২১ সরকারী
কর্মচারী - সরকারী কর্মচারী বলতে আমরা বুঝি, যিনি সরকারী চাকুরীতে নিযুক্তি বা
বেতনভোগী বা কোন সরকারী কর্তব্য সম্পাদন বাবদ পারিশ্রমিক গ্রহনকারী ব্যক্তিকে বুঝাবে
।
দঃবিঃ ধারা ২২ অস্থাবর
সম্পত্তি - “অস্থাবর সম্পত্তি” বলিতে ভূমি এবং ভূমির সহিত স্থায়ীভাবে যুক্ত বস্তু
ব্যতীত অন্য যে কোন ধরনের পার্থিব বা বাস্তব সম্পত্তিকে বুঝাবে ।
দঃবিঃ ধারা ২৩ অবৈধ
লাভ বা অন্যায় লাভ/অন্যায় ক্ষতি :- যে সম্পত্তি আইনত লভ্য নয় বা যে সম্পত্তিতে
লাভকারী ব্যক্তির কোন আইনানুগ অধিকার নাই, সে সম্পত্তি বে-আইনীভাবে লাভ করাকে অন্যায়
লাভ বলা হয়। এবং “অন্যায় ক্ষতি” বলিতে কোন সম্পত্তিতে যে ব্যক্তির আইনগত অধিকার আছে,
বে-আইনীভাবে উক্ত সম্পত্তির ক্ষতি হলে তাকে অন্যায় ক্ষতি বলা হয় ।
দঃবিঃ ধারা ২৪ অসাধুভাবে
:-
কোন ব্যক্তি কারও অন্যায়ভাবে লাভ ঘটাবার বা অপর কারও ক্ষতি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কিছু
করলে উক্ত ব্যক্তি তা অসাধুভাবে করেছে বলে গণ্য হবে ।
দঃবিঃ ধারা ২৫ প্রতারনামূলভাবে :- কোন ব্যক্তি প্রতারনা করার উদ্দেশ্যে
কোন কিছু করলে উক্ত কাজ প্রতারনামূলক ভাবে করেছে বলে গণ্য হবে ।
দঃবিঃ ধারা ২৬ বিশ্বাস
করিবার কারণ :- কোন ব্যক্তির কোন কিছু বিশ্বাস করিবার যথেষ্ট কারন থাকিলে
উক্ত ব্যক্তির উক্ত কিছু বিশ্বাস করিবার কারণ, রহিয়াছে বলিয়া গন্য হইবে
দঃবিঃ ধারা ২৭ স্ত্রী,
কেরানী বা চাকরের অধিকারভূক্ত সম্পত্তিঃ- কোন সম্পত্তি কোন ব্যক্তির পক্ষে তাহার
স্ত্রী, কেরানী বা ভৃত্যের অধিকারে থাকিলে উক্ত সম্পত্তি এই বিধির তাৎপর্যাধীন উক্ত
ব্যক্তির রহিয়াছে বলিয়া গন্য হইবে।
দঃবিঃ ধারা ২৮ নকল
করন :- কোন ব্যক্তি সদৃশ্যতার সাহায্যে ভ্রান্তি উৎপাদনের অভিপ্রায়ে এক বস্তুকে
অন্য কোন বস্তুর সদৃশ করিলে সে নকল বা জাল করিয়াছে বলিয়া গন্য হইবে ।
দঃবিঃ ধারা ২৯ দলিল - দলিল বলিতে কোন
বস্তুর উপর ব্যক্ত বা বিবৃত যে কোন বিষয় বুঝায় যা উক্ত বস্তুর প্রমাণ রূপে ব্যবহারের
জন্য ব্যবহৃত হতে পারে।
দঃবিঃ ধারা ৩০ মূল্যবান
জামানত - মূল্যবান জামানত বলিতে এমন একটি দলিল বুঝায় যা কোন আইনানুগ অধিকার
প্রতিষ্ঠিত, সম্প্রসারিত, হস্তান্তরিত, সীমিত বা বিলুপ্ত করা হয় বা তার কোন বিশেষ
আইনানুগ অধিকার নেই ।
দঃবিঃ ধারা ৩০/৩১ উইল - উইল বলিতে যে কোন অসিয়ত মূলক দলিল বুঝাইবে
।
দঃবিঃ ধারা ৩৪ কতিপয়
ব্যক্তি কর্তৃক সকলের একই উদ্দেশ্য সাধনকল্পে কৃত কোন অপরাধমূলক কার্য সম্পাদিত
হয় তখন অনুরুপ ব্যক্তিগনের প্রত্যেকে উক্ত কাজের জন্য সমান অপরাধী হবে।
দঃবিঃ ধারা ৩৯ যে
মাধ্যমের সাহায্যে কোন কার্য অনুষ্ঠান অভিপ্রেত হইয়াছিল সে ব্যক্তি সেচ্ছাকৃত
ভাবে উক্ত কার্য অনুষ্ঠান করে বলে গন্য হইবে।
দঃবিঃ ধারা ৪০ ফোঃ
কাঃ ৪(ণ) অপরাধঃ- সাধারনতঃ প্রচলিত রীতিনীতির পরিপন্থী কাজকে অপরাধ বলা হয়।
ফৌজধারী কার্যবিধি আইনের (ণ) ধারানুযায়ী কোন কাজ করলে বা না করিলে আইনে শাস্তির বিধান
রহিয়াছে তাকে অপরাধ বলে।
দঃবিঃ ধারা ৪১ বিশেষ আইন বলিতে কোন বিশেষ বিষয়ের প্রতি প্রযোজ্য আইন ।
দঃবিঃ ধারা ৪২ যে
আইন বাংলাদেশের কোন বিশেষ এলাকায় চালু থাকে তাকে স্থানীয় আইন বলে। যেমন- ডিএমপি
আইন, বন্দর আইন।
দঃবিঃ ধারা ৪৪ ক্ষতিঃ
কোন
ব্যক্তির দেহ মন, সুনাম বা সম্পত্তির অবৈধভাবেকৃত করাকে ক্ষতি বলা হয়।
দঃবিঃ ধারা ৫০ ধারাঃ
ধারা
বলিতে দঃবিঃ আইনের যে কোন পরিচ্ছেদের অংশ সমূহের এক একটি ধারা বলা হয়।
দঃবিঃ ধারা ৫১ হলফঃ
হলফ
বলিতে আইন বলে অনুমোদিত কোন পবিত্র প্রতিজ্ঞা যা কোন কর্মচারীর সম্মুখে গ্রহনীয় বা প্রমানের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত যে কোন ঘোষনাকে বুঝাইবে।
দঃবিঃ ধারা ৫২ সদবিশ্বাস বা সরল বিশ্বাস যথাযথ সতর্কতা ও উপযুক্ত মনোযোগ সহকারে যা করা হয় তা সরল বিশ্বাসে করা হয়েছে বলা
হয়।
দঃবিঃ ধারা ৫২
(ক) আশ্রয়ঃ গ্রেফতার এড়াইবার জন্য কোন ব্যক্তিকে আশ্রয়, খাদ্য পানীয়
, অর্থ, কাপর চোপড়, অস্ত্রশস্ত্র ইত্যাদি দিয়ে
সাহায্য করাকে আশ্রয়দান বলা হয়।
দঃবিঃ ধারা ৫৩ দন্ডঃ
দন্ড
বলিতে আমরা বুঝি সাক্ষ্য প্রমান শেষে আদালত কর্তৃক আরোপিত দন্ড বা শাস্তিকে বুঝাইবে।
দন্ড ৫ প্রকার যথাঃ মৃত্যু দন্ড, যাবজ্জীবন
কারাদন্ড, কারাবাস, সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করন
এবং অর্থদন্ড বা জরিমানা।
দঃবিঃ ধারা ৭৩ নির্জনকারাবাস
দঃবিঃ ধারা ৭৫ পূর্ববর্তী
দন্ডের পরে অত্র আইনের ১২শ বা ১৭ শ পরিচ্ছেদের অধীনে অপরাধ করলে অপরাধীকে
তখন বর্ধিত দন্ড প্রদান করা হয়।
দঃবিঃ ধারা ৭৬ আইন
বলে বাধ্য বা তথ্যের ভুল ধারনা বসত নিজেকে
আইন বলে বাধ্য বলিয়া বিশ্বাসকারী ব্যক্তি
বিশেষ কর্তৃক সম্পাদিত কায অপরাধ নয়।
দঃবিঃ ধারা ৭৯ আইন
সমর্থিত বা ভুল ধারনা বসত নিজেকে সমর্থিত বলিয়া বিশ্বাসকারী ব্যক্তি
কর্তৃক সম্পাদিত কায।
দঃবিঃ ধারা ৮০ আইনানুক
কায সম্পাদানকালে দুর্ঘটনা।
দঃবিঃ ধারা ৮১ সম্ভাব্য ক্ষতিকারক কায , কিন্তু অপরাধমূলক
অভিপ্রায় ব্যতিরেকে এবং অন্যবিধ ক্ষতি নিবারনকল্পে সম্পাদিত কায।
দঃবিঃ ধারা ৮২ সাত
বছরের কম বয়স্ক কোন শিশুর কায অপরাধ হবে না।
দঃবিঃ ধারা ৮৩ সাত
বছরের অধিক ১২ বছরের কম বয়স্ক
অপরিনত বোধশক্তি সম্পন্ন শিশুর কায অপরাধ হবে না।
দঃবিঃ ধারা ৮৪ অপ্রকৃতিস্থ
ব্যক্তি কর্তৃক কোন কাজ অপরাধ নয়।
দঃবিঃ ধারা ৮৫ অনিচ্ছাকৃত
প্রমত্ততার কারনে বিচার শক্তি রহিত ব্যক্তির কায অপরাধ হবে না।
দঃবিঃ ধারা ৮৬ যে কাজের জন্য বিশেষ জ্ঞানের
প্রয়োজন রহিয়াছে উন্নত ব্যক্তি কর্তৃক
সেই অপরাধ অনুষ্ঠান।
দঃবিঃ ধারা ৮৭ মৃত্যু
বা গুরুতর আঘাত ঘটাইবার অভিপ্রেত
নহে এবং অনুরুপ সম্ভাবনাপুর্ন বলিয়া অজ্ঞাত কায
সম্মতি সহকারে সম্পাদন।
দঃবিঃ ধারা ৮৮ মৃত্যু
ঘটাইবার অভিপ্রেত নহে এমন কায ব্যক্তি বিশেষের উপকারার্থ সদবিশ্বাসে সম্মতি সহকারে সম্পাদন।
দঃবিঃ ধারা ৮৯ অভিভাবক
কর্তৃক বা তাহার সম্মতি ক্রমে শিশু অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তির মঙ্গলার্থে সদবিশ্বাসে কৃতকায।
দঃবিঃ ধারা ৯০ ভীতি
বা ভ্রান্ত ধারণার অধীন দেওয়া বলিয়া বিধিত সম্মতি।
দঃবিঃ ধারা ৯১ যে সকল কায সাধিত
, বা ক্ষতি হইতে স্বতন্ত্র ভাবে অপরাধ
বলিয়া গণ্য, সে সকল কায বর্জন।
দঃবিঃ ধারা ৯২ সম্মতি ব্যতিরেকে
কোন ব্যক্তির মঙ্গলার্থে সদবিশ্বাসে কৃত কায
অপরাধ হবে না।
দঃবিঃ ধারা ৯৩ সদবিশ্বাসে কৃত
যোগাযোগ অপরাধ হবে না।
দঃবিঃ ধারা ৯৪ যে কাজ করার জন্য
ভীতি প্রদর্শন করে বাধ্য করা হয়।
দঃবিঃ ধারা ৯৫ সামান্য ক্ষতিকারক
কায অপরাধ হবে না ।
দঃবিঃ ধারা ৯৬ ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষা
অধিকার প্রয়োগকালে কোন কিছুই অপরাধ হবে না।
দঃবিঃ ধারা ৯৮ অপ্রকৃতিস্থ ইত্যাদি
ব্যক্তি কার্যের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষা অধিকার থাকবে ।
দঃবিঃ ধারা ৯৯ যেসব কার্যের বিরুদ্ধে
ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষা অধিকার অধিকার নেই।
দঃবিঃ ধারা ১০০
যে
ক্ষেত্রে দেহের ব্যক্তিগত প্রতিক্ষার অধিকার প্রয়োগ করে মৃত্যু ঘটানোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
হয় ।
দঃবিঃ ধারা ১০১
যেক্ষেত্রে
অনুরূপ অধিকার মৃত্যু ব্যতীত অন্য যেকোন ক্ষতির প্রতি প্রযোয্য হইবে ।
দঃবিঃ ধারা ১০২
দেহের
ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার আরম্ভ ও স্থিতিকাল।
দঃবিঃ ধারা ১০৩ যে ক্ষেত্রে সম্পক্তি
সম্পর্কিত প্রতিরক্ষা অধিকার মৃত্যু ঘটাইবার ক্ষেত্রে প্রযোয্য হইবে ।
দঃবিঃ ধারা ১০৪ যেক্ষেত্রে অনুরূপ
অধিকার মৃত্যু ব্যতীত অন্য যেকোন ক্ষতির প্রতি প্রযোয্য হইবে ।
দঃবিঃ ধারা ১০৫ সম্পক্তি সম্পর্কিত
ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার আরম্ভ ও স্থিতিকাল।
দঃবিঃ ধারা ১০৬ নিরপরাধ ব্যক্তির
প্রতি ক্ষতিসাধিত হইবার নম্ভাবনার ক্ষেত্রে মারাত্মক আক্রমনের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার
অধিকার ।
দঃবিঃ ধারা ১০৭
প্ররোচনাঃ- যদি কোন অপর কোর ব্যক্তিকে অপরাধ সংঘটনের জন্য সহায়তা করে, পরামর্শ দেয়
বা উল্কানি দেয় কিংবা খড়যন্ত্র করে বা কার্যবিরতির দ্বারা অপরাধ সংঘটনের পথ সুগাম
করে তাকে প্ররোচনা বলে ।
দঃবিঃ ধারা ১০৮
(ক)
দুষ্কর্মে সহায়তাকারী ৪- বাংলাদেশে, বাংলাদেশের বাহিরে অপরাধ সমূহের সহায়তা দান ।
দঃবিঃ ধারা ১০৯ প্ররোচনার শাস্তি
।
দঃবিঃ ধারা ১১০ সহায়তাকৃত ব্যক্তি
সহায়তার কারীর অভিপ্রায় হইতে কার্য করিবার ভিন্ন অভিপ্রায়ে কার্য করিবার ক্ষেত্রে
সহায়তার শান্তি ।
দঃবিঃ ধারা ১১১ সহায়তাকৃত ব্যক্তি
সহায়তার কারীর অভিপ্রায় হইতে কার্য করিবার ভিন্ন অভিপ্রায়ে কার্য করিবার ক্ষেত্রে
সহায়তা কারীর দায়িত্ব ।
দঃবিঃ ধারা ১১৩ সহায়তাকৃত কার্যের
কারনে দুস্কর্মে কর্মে সহায়তাকারী কর্তৃক অভিপ্রেত পরিনতি হইতে ভিন্ন পরিনতির ক্ষেত্রে
দুষ্কর্মে সহায়তা কারীর দায়িত্ব ।
দঃবিঃ ধারা ১১৪ অপরাধ সংঘটন কালে
সহায়তাকারী উপস্থিত থাকলে অপরাধ করেছে বলে গণ্য হইবে ।
দঃবিঃ ধারা ১১৫ মৃত্যু দন্ড বা
যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডনীয় অপরাধে সহায়তা করুন; অপরাধ অনুষ্ঠিত না হইবার
ক্ষেত্রে।
দঃবিঃ ধারা ১১৬ কারাদন্ডে দণ্ডেনীয়
অপরাধ সহায়তা করনের ফলে অপরাধটি অনুষ্ঠিত না হইবার ক্ষেত্রে ।
দঃবিঃ ধারা ১১৭ জনসাধারন বা দশের
অধিক ব্যক্তি কর্তৃক অপরাধ অনুষ্ঠানে সহায়তা করন ।
দঃবিঃ ধারা ১১৮ মৃত্যু বা যাবজ্জীবন
কারাদন্ডে দন্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্র গোপন করন ।
দঃবিঃ ধারা ১১৯ সরকারী কর্মচারী
কর্তৃক এমন অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্র গোপন করন যাহা নিবারন করা তাহার কর্তব্য ।
দঃবিঃ ধারা ১২০ কারাদন্ডে দন্ডনীয়
অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্র গোপন করন ।
দঃবিঃ ধারা ১২০
(ক)
অপরাধ মূলক ষড়যন্ত্রের সংজ্ঞা ।
দঃবিঃ ধারা ১২০
(খ)
অপরাধ মূলক ষড়যন্ত্রের শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা ১২১ বাংলাদেশের বিরুদ্ধে
যুদ্ধ ঘোষনা বা যুদ্ধ ঘোষনার উদ্দ্যেগ করা বা সহায়তা করা।
দঃবিঃ ধারা ১২১
(ক)
১২১ ধারা অপরাধ সমূহ অনুষ্ঠানের ষড়যন্ত্র করা।
দঃবিঃ ধারা ১২৪ কোন আইনানুগ ক্ষমতা
প্রয়োগে বাধ্য করিবার বা বাধাদান করিবার অভিপ্রায়ে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী প্রমুখ
ব্যক্তিকে আক্রমন করন ।
দঃবিঃ ধারা ১২৪
(ক)
রাষ্ট্রদ্রোহ ঃ- যে ব্যক্তি কথিত বা লিখিত শব্দাবলির দ্বারা আইন বলে প্রতিষ্ঠিত সরকারের
প্রতি ঘৃনা, বিদ্বেষ কিংবা অনানুগত্য ও সর্ব প্রকার শত্রুতা করে সেই ব্যক্তিকে রাষ্ট্রদ্রোহ
বলা হয় ।
দঃবিঃ ধারা ১২৮ সরকারী কর্মচারী
কর্তৃক ইচ্ছাকৃতভাবে রাজবন্দী বা যুদ্ধ বন্দীকে পালিয়ে যেতে দেওয়ার শাস্তি দঃবিঃ ধারা ১২৯ সরকারী কর্মচারী কর্তৃক অবহেলা
পূর্বক রাজবন্দী বা যুদ্ধ বন্দীকে পালিয়ে যেতে দেওয়ার শাস্তি
দঃবিঃ ধারা ১৩০ রাজবন্দী বা যুদ্ধ
বন্দীকে পলায়নে সাহায্য করা, উদ্ধার করা বা আশ্রয় দান কর
দঃবিঃ ধারা ১৩৫ সামরিক বাহিনী
হইতে পলায়নে সহায়তা করন।
দঃবিঃ ধারা ১৩৬ সামরিক বাহিনী
হইতে পলাতককে আশ্রয়দান করন।
দঃবিঃ ধারা ১৪০ সামরিক বাহিনীর
পোষাক পরিধান করা বা প্রতীক ধারন করার শাস্তি।
দঃবিঃ ধারা ১৪১ বে-আইনী সমাবেশের
সংজ্ঞাঃ-পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারনের কোন স্থানে একত্রিত হয়ে রাষ্ট্র বিরোধী
বা অন্য কোন অসৎ উদ্দেশ্যে সমবেত হয়ে শান্তি ভংগের কোন কাজ করে তবে তাকে বেআইনী সমাবেশ
বলে ।
দঃবিঃ ধারা ১৪২ বে-আইনী সমাবেশের
সদস্য হওয়া 8-
দঃবিঃ ধারা ১৪৩ বে-আইনী সমাবেশের
সদস্য হওয়ার শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা ১৪৪ মারাত্মাক অস্ত্রে
সজ্জিত হয়ে বে-আইনী সমাবেশে যোগদান করার শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা ১৪৫ কোন বে-আইনী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ হওয়ার আদেশ দেওয়া সত্ত্বেও
জানিয়া উহাতে যোগদান বা তথায় অবস্থান করার শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা ১৪৬
দাঙ্গার সংজ্ঞা
দঃবিঃ ধারা ১৪৭ দাঙ্গা করার শাস্তি
দঃবিঃ ধারা ১৪৮ মারাত্নক অস্ত্রে
সজ্জিত হয়ে দাঙ্গা হাঙ্গামা করার শাস্তি।
দঃবিঃ ধারা ১৪৯ সাধারন উদ্দেশ্যের
বাস্তবায়নে অনুষ্ঠিত অপরাধের জন্য বে-আইনী সমাবেশে যোগদানকারী প্রত্যেক ব্যক্তি দোষী
সাব্যস্ত হবেন ।
দঃবিঃ ধারা ১৫০ ভাড়াটিয়া হওয়া
এবং ভাড়া করার শান্তি ।
দঃবিঃ ধারা ১৫১ বেআইনী সমাবেশ
ভাঙ্গিয়া দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হইয়াছে জানিয়াও উহাতে যোগদান বা তথায় অবস্থান
করার শাস্তি।
দঃবিঃ ধারা ১৫২ দাঙ্গা দমন কালে
সরকারী কর্মচারীকে আক্রমন বা বাধা দান করা ।
দঃবিঃ ধারা ১৫৮ বে-আইনী সমাবেশে
বা দাঙ্গায় অংশ গ্রহনের জন্য ভাড়াটিয়া হওয়া ।
দঃবিঃ ধারা ১৫৯
মারামারির সংজ্ঞা- দুই বা ততোধিক ব্যক্তি প্রকাশ্য স্থানে ঝগড়া করে গণশাত্তি
ভংগ করলে তারা মারামারি করেছে বলে গন্য হবে।
দঃবিঃ ধারা ১৬০ মারামারি করার
শাস্তি
দঃবিঃ ধারা ১৬১ সরকারী কর্মচারী
কর্তৃক কোন সরকারী কার্য সম্পর্কে বৈধ পারিশ্রমিক ব্যতিত অন্যবিধ বখশিশ গ্রহণ ।
দঃবিঃ ধারা ১৬২ অসাধূ বা অবৈধ
উপায়ে সরকারী কর্মচারীকে প্রভাবিত করিবার উদ্দেশ্যে বখশিশ গ্রহণ । সরকারী কর্মচারীর
প্রতি ব্যক্তিগত প্রভাব প্রয়োগের জন্য বখশিশ গ্রহণ ।
দঃবিঃ ধারা ১৬৪ যে ১৬২ ও ১৬৩ ধারার
অপরাধসমূহ সহায়তার শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা ১৬৫ বিনা মূল্যে মূল্যেবান বস্তু গ্রহন
।
দঃবিঃ ধারা ১৬৫
(ক)
যে ১৬১ ও ১৬৫ ধারায় বর্ণিত অপরাধসমূহ সহায়তা করে সহায়তার ফলে কার্যটি অনুষ্ঠিত না
হইলেও উক্ত অপরাধের জন্য ব্যবস্থিত দণ্ডে দণ্ডিত হইবে ।
দঃবিঃ ধারা ১৬৬ কোন ব্যক্তির ক্ষতি
সাধন করে সরকারী কর্মচারী কর্তৃক আইন অমান্য করন ।
দঃবিঃ ধারা ১৬৭ ক্ষতি সাধন কল্পে
সরকারী কর্মচারী কর্তৃক অশুদ্ধ দলিল প্রণয়ন ।
দঃবিঃ ধারা ১৬৮ সরকারী কর্মচারী
বেআইনী ব্যবসায় নিয়োজিত হওয়ার শান্তি ।
দঃবিঃ ধারা ১৬৯ সরকারী কর্মচারী
বেআইনীভাবে সম্পত্তি ক্রয় করা বা নিলামে দর ডাকার শাস্তি । সরকারী
দঃবিঃ ধারা ১৭০ কর্মচারীর ছন্দবেশ
ধারণের শান্তি ।
দঃবিঃ ধারা ১৭১ প্রতারনা মূলক
উদ্দেশ্যে সরকারী কর্মচারী কর্তৃক ব্যবহৃত পোষাক পরিধান করা বা প্রতীক ধারন করার শান্তি
।
দঃবিঃ ধারা ১৭১
(খ) ঘুষের সংজ্ঞা - যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তিকে কোন উপকার পাওয়ার উদ্দেশ্যে
অথবা উপকৃত হওয়ার উদ্দেশ্যে বখশিশ দান করে বা বখশিশ গ্রহণ করে তাহাকে ঘুষ বলে ।
দঃবিঃ ধারা ১৭১ (ঙ) ঘুবের শাস্তি :-
দঃবিঃ ধারা ১৭২ সমন জারী করনের
বা অন্যবিধ ব্যবস্থা এড়াইবার উদ্দেশ্যে আত্ম গোপন করা :-
দঃবিঃ ধারা ১৭৩ সমন জারী করা বা
অন্যবিধ ব্যবস্থা গ্রহনে বাধা সৃষ্টি করা
দঃবিঃ ধারা ১৭৪ সরকারী কর্মচারীর
আদেশে হাজির না হওয়া।
দঃবিঃ ধারা ১৭৫ সরকারী কর্মচারীর
নিকট কোন দলিল পেশ করিতে আইনত বাধ্য হইয়া তাহা পেশ না করার শাস্তি
দঃবিঃ ধারা ১৭৬ সরকারী কর্মচারীর
নিকট তথ্য সরবরাহ করিবার জন্য বাধ্য হইয়াও তাহা না করার শাস্তি :
দঃবিঃ ধারা ১৭৭ মিথ্যা তথ্য সরবরাহ
করার শাস্তি
দঃবিঃ ধারা ১৭৮ হলফ করিয়া মিথ্যা
বিবৃতি দান করার শাস্তি
দঃবিঃ ধারা ১৭৯ প্রশ্ন করিবার
ক্ষমতা সম্পন্ন সরকারী কর্মচারীর প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করার শাস্তি
দঃবিঃ ধারা ১৮০ বিবৃত্তিতে স্বাক্ষর
করিতে অস্বীকার করার শাস্তি :
দঃবিঃ ধারা ১৮১ হলফ বা শপথ করিয়া
মিথ্যা বিবৃত্তি দান করার শান্তি
দঃবিঃ ধারা ১৮২ অপর কোন ব্যক্তির
ক্ষতি সাধন করে সরকারী কর্মচারীকে তাহার আইনানুগ ক্ষমতা প্রয়োগ করিতে বাধ্য করিবার
জন্য মিথ্যা সংবাদ দেওয়ার শাস্তি
দঃবিঃ ধারা ১৮৬ সরকারী কর্মচারীকে সরকারী কার্য সম্পাদনে বাধাদান করার
শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা ১৮৭ সাহায্য করার জন্য
আইনত বাধ্য থাকা সত্তেও সরকারী কর্মচারীকে সাহায্যে না করার শাস্তি দঃবিঃ ধারা ১৮৮ সরকারী কর্মচারীক কর্তৃক যথাযথ
রূপে জারীকৃত আদেশ অমান্য করার শাস্তি
দঃবিঃ ধারা ১৮৯ সরকারী কর্মচারীকে
ক্ষতি সাধনের হুমকী দেওয়ার শাস্তি।
দঃবিঃ ধারা ১৯১ মিথ্যা সাক্ষ্য
দানের সংজ্ঞা।
দঃবিঃ ধারা ১৯২ মিথ্যা সাক্ষ্য
উদ্ভাবন করা।
দঃবিঃ ধারা-১৯৩ মিথ্যা সাক্ষ্য
দানের শাস্তি।
দঃবিঃ ধারা-১৯৪ মৃত্যুদন্ডযোগ্য
অপরাধের অপরাধী করাইবার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্যদান
দঃবিঃ ধারা-১৯৫ যাবজ্জীবন কারাদন্ডে
দন্ডনীয় করাইবার মতলবে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া বা উদ্ভাবন করা ।
দঃবিঃ ধারা-১৯৬ মিথ্যা বলিয়া
বিধিত সাক্ষ্য ব্যবহার করা।
দঃবিঃ ধারা-২০১ অপরাধীকে গোপন
করিবার জন্য অপরাধের সাক্ষ্য অদৃশ্য করিয়া দেওয়া বা মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করা (লাশ
গুম করা)।
দঃবিঃ ধারা-২০২ তথ্য প্রদানে বাধ্য
ব্যক্তি কর্তৃক অপরাধের তথ্য প্রদানের ব্যাপারে ইচ্ছাকৃত ত্রুটি।
দঃবিঃ ধারা-২০৪ দলিল বিনষ্ট করার
শাস্তি।
দঃবিঃ ধারা-২০৯ অসাধুভাবে আদালতে
মিথ্যা দাবি উত্থাপন করার শান্তি ।
দঃবিঃ ধারা-২১১ ক্ষতি সাধনের অভিপ্রায়ে
অপরাধের মিথ্যা অভিযোগ দেওয়ার শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা-২১২ মৃত্যু দন্ডে দন্ডনীয়
অপরাধের ক্ষেত্রে অপরাধীকে আশ্রয়দানের শান্তি ।
দঃবিঃ ধারা-২১৬ হাজত হইতে পলায়ন
করিয়াছে এইরূপ বা যাহার গ্রেফতারের জন্য আদেশ জারী করা হইয়াছে তাহাকে আশ্রয়দানের
শাস্তি।
দঃবিঃ ধারা-২১৬
(ক)
দস্যু বা ডাকাতকে আশ্রয়দানের শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা-২২০ বিচারে প্রেরণ
করিবার বা আটক রাখিবার ক্ষমতা সম্পন্ন ব্যক্তি আইন বিরুদ্ধ কাজ করিতেছে বলিয়া জানা
সত্ত্বেও যদি তাহা করে ।
দঃবিঃ ধারা-২২১ গ্রেফতার করিতে
বাধ্য হওয়া সত্তেও ইচ্ছা পূর্বক গ্রেফতার না করার শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা-২২৩ সরকারী কর্মচারীর
অবহেলার দরুন আটক বা হাজত হইতে আসামী পালায়ন করলে শাস্তি
দঃবিঃ ধারা-২২৪ কোন ব্যক্তির আইনানুগ
গ্রেফতারে তৎকর্তৃক বাধাদান করার শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা-২২৫ অপর ব্যক্তি আইনানুগ গ্রেফতারে বাধা দান বা প্রতিবন্ধকতা
সৃষ্টি করার শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা-২৩০
মুদ্রার সংজ্ঞাঃ-বর্তমানে অর্থ হিসাবে ব্যবহৃত বা অনুরুপ ব্যবহারের জন্য রাষ্ট্র
বা সার্বভৌম শক্তির কর্তৃত্ব বলে সীলমোহর ও ইস্যুকৃত ধাতব দ্রব্যকে মুদ্রা বলা হয়
।
দঃবিঃ ধারা-২৩১ মুদ্রা জাল করনের
শাস্তি।
দঃবিঃ ধারা-২৩২ বাংলাদেশী মুদ্রা
জাল করনের শাস্তি
দঃবিঃ ধারা-২৩৩ মুদ্রা জাল করার
যন্ত্র প্রস্তুত বা বিক্রয়ের শাস্তি।
দঃবিঃ ধারা-২৩৪ বাংলাদেশী মুদ্রা
জাল করার যন্ত্র প্রস্তুত বা বিক্রয়ের শাস্তি।
দঃবিঃ ধারা-২৩৭ জাল মুদ্রা আমদানী
বা রপ্তানী করার শাস্তি।
দঃবিঃ ধারা-২৫৫ সরকারী ষ্টাম্প
জাল করার শাস্তি।
দঃবিঃ ধারা-২৫৬ সরকারী ষ্টাম্প
জাল করার যন্ত্র বা উপাদান দখলে রাখার শাস্তি।
দঃবিঃ ধারা-২৫৭ সরকারী ষ্টাম্প
জাল করার যন্ত্র প্রস্তুত বা বিক্রয়ের শাস্তি।
দঃবিঃ ধারা-২৬৪ ওজনের জন্য প্রকৃত
যন্ত্রের প্রতারনামূলক ব্যবহারের শাস্তি।
দঃবিঃ ধারা-২৬৫ অপ্রকৃত বাটখারা
বা মাপকাঠি প্রতারনামূলক ব্যবহার করার শাস্তি।
দঃবিঃ ধারা-২৬৮ গণউপদ্রপ যদি কোন
ব্যক্তি কোন কাজের দ্বারা জনসাধারনের কোন ক্ষতি বিপদ বা বিরুক্তির সৃষ্টি করে তাহলে
সে গণউপদ্রপ করেছে বলে গন্য হবে।
দঃবিঃ ধারা-২৬৯ অবহেলাজনিত কাযের
দ্বারা জীবন বিপন্নকারী রোগের সংক্রমন বিস্তার করিবার সম্ভাবনা রহিয়া এরুপ কায
দঃবিঃ ধারা-২৭২ বিক্রয়ের জন্য
খাদ্য বা পানীয় দ্রব্য ভেজাল মিশানোর শাস্তি।
দঃবিঃ ধারা-২৭৩ ক্ষতিকর খাদ্য
বা পানীয় বিক্রয় করিবার শাস্তি।
দঃবিঃ ধারা-২৭৪ ভেজস পদার্থে ভেজাল
মিশানোর শাস্তি।
দঃবিঃ ধারা-২৭৯ রাজপথে বেপরয়া
গাড়ী চালনা বা অশ্ব চালনার শাস্তি।
দঃবিঃ ধারা-২৮২ ভারার জন্য অতিরিক্ত বোঝাইকৃত জাহাজ যোগে লোক বহনের
শাস্তি।
দঃবিঃ ধারা-২৯০ প্রকারান্তরে ব্যবস্থিত
নহে এরুপ ক্ষেত্রে গণ উপদ্রপের শাস্তি।
দঃবিঃ ধারা-২৯২ অশ্লীল পুস্তুক
বিক্রয়ের শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা-২৯৩ অল্প বয়স্ক ব্যক্তির
নিকট অশ্লীল পুস্তুক বিক্রয়ের শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা-২৯৪ অশ্লীল কার্য ও
সঙ্গীত করার শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা-২৯৪
(খ)
বানিজ্য ইত্যাদি উপলক্ষে পুরস্কার প্রদানে প্রস্তাব করার শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা-২৯৫ কোন শ্রেণী বিশেষের
ধর্মের প্রতি অবমাননা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে উপসনালয়ের ক্ষতি সাধন করা বা অপবিত্র করার
শাস্তি।
দঃবিঃ ধারা-২৯৬ ধর্মীয় সমাবেশে গোলমাল সৃষ্টি করার শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা-২৯৭ গোরস্থান ইত্যাদিতে
অনধিকার প্রবেশ ।
দঃবিঃ ধারা-২৯৮ ইচ্ছাকৃত ভাবে
ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত হানিবার জন্য শব্দ সমূহ
ইত্যাদি করার শাস্তি।
দঃবিঃ ধারা-২৯৯ অপরাধজনক নরহত্যার
সংজ্ঞা
দঃবিঃ ধারা-৩০০ খুনের শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা-৩০৩ যাবজ্জীবন কারাদন্ডে
দন্ডিত আসামী কর্তৃক খুনের অপরাধে অপরাধীর শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা-৩০৪ খুব নয় এমন অপরাধজনক
প্রানহানির শান্তি ।
দঃবিঃ ধারা-৩০৫ শিশু বা উন্নাত
ব্যক্তি আত্মহত্যা সহায়তা করনের শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা-৩০৬ আত্নহত্যায় সহয়তা
করনের শাস্তি
দঃবিঃ ধারা-৩০৭ খুনের চেষ্টার
শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা-৩০৮ অপরাধ জনক নরহত্যা
অনুষ্ঠানের উদ্দোগের শাস্তি।
দঃবিঃ ধারা-৩০৯ আত্নহত্যার চেষ্টার
শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা-৩১১
ঠগের সংজ্ঞা- যে ব্যক্তি কোন সময় খুন করে বা খুনসহকারে দস্যুতা বা শিশু
অপহরনের উদ্দেশ্যে অভ্যাসগতভাবে অগর এক বা একাধিক ব্যক্তির সহিত মেলামেশা করে তবে সে
ব্যক্তিকে ঠগ বলা হয় ।
ঠগের শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা-৩১২ নারীর গর্ভপাত
করনের শাস্তি।
দঃবিঃ ধারা-৩১৩ নারীর সম্মতি ছাড়া
গর্ভপাত করনের শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা-৩১৪ গর্ভপাত করানোর উদ্দেশ্যে সম্পাদিত কাজের ফলে নারীর
মৃত্যু ঘটানোর শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা-৩১৫ শিশুর জীবন্ত ভূমিষ্ট
হওয়ার বাধাদান করিবার বা জন্মের পর উহার মৃত্যু ঘটাইবার উদ্দেশ্যে কৃতকার্য।
দঃবিঃ ধারা-৩১৬ অপরাধ জনক নরহত্যা
বলে গন্য কার্যের সাহায্যে জীবন্ত অজাত শিশুর মৃত্যু সংঘটন ।
দঃবিঃ ধারা-৩১৭ পিতা, মাতা অথবা
তত্ত্বাবধায়ক কর্তৃক বার বছরের কম বয়স্ক শিশুর পরিত্যাগ অথবা বর্জনকরনের শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা-৩১৮ মৃত দেহের গোপন
ব্যবস্থার সাহায্যে জন্ম গোপন করন ।
দঃবিঃ ধারা-৩১৯ আঘাতের সংজ্ঞা-
যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির দৈহিক যন্ত্রনা ব্যাধি বা অপরাগতা ঘটায় তবে তাকে
আঘাত বলে ।
দঃবিঃ ধারা-৩২০ গুরুতর আঘাত
দঃবিঃ ধারা-৩২১ স্বেচ্ছকৃতভাবে
আঘাত দান করা ।
দঃবিঃ ধারা-৩২২ স্বেচ্ছকৃতভাবে
গুরুতর আঘাত দান করা।
দঃবিঃ ধারা-৩২৩ সেচ্ছকৃতভাবে আঘাত
দানের শান্তি।
দঃবিঃ ধারা-৩২৪ সেচ্ছকৃতভাবে মারাত্নক
অস্ত্র বা অন্যকোন মাধ্যমের সাহায্যে আঘাত দানের শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা-৩২৫ সেচ্ছকৃতভাবে গুরুতর
আঘাত দানের শাস্তি।
দঃবিঃ ধারা-৩২৬ সেচ্ছকৃতভাবে মারাত্নক
অস্ত্র বা অন্যকোন মাধ্যমের সাহায্যে গুরুতর আঘাত দানের শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা-৩২৬
(ক)
সেচ্ছকৃতভাবে চোখ উপড়াইয়া বা এসিড নিক্ষেপ বা এসিড জাতীয় পদার্থ দ্বারা দৃষ্টিশক্তি
মুখ মন্ডল বা মস্তক বিকৃত করন ।
দঃবিঃ ধারা-৩২৭ বলপূর্বক সম্পত্তি
ছিনাইয়া লওয়া বা কোন অবৈধ কাজ করিতে বাধ্য করিবার জন্য স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত প্রদান
করা ।
দঃবিঃ ধারা-৩২৮ কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের
জন্য বিষ ইত্যাদি প্রয়োগে মাধ্যমে আঘাত দান করার শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা-৩২৯ বলপূর্বক সম্পত্তি
ছিনাইয়া লওয়া বা কোন অবৈধ কাজ করিতে বাধ্য করিবার জন্য স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত
প্রদান করা।
দঃবিঃ ধারা-৩৩১ বলপূর্বক অপরাধ
স্বীকারোত্তি আদায় করা বা সম্পত্তি প্রত্যর্পনে বাধ্য করিবার জন্য সেচ্ছকৃতভাবে আঘাত
দানের শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা-৩৩২ সরকারী কর্মচারী
তার কর্তব্য পালনে বাধা দান করার নিমিত্তে সেচ্ছকৃতভাবে গুরুতর আঘাত দানের শাস্তি।
দঃবিঃ ধারা-৩৩৩ সরকারী কর্মচারী তার কর্তব্য পালনে বাধা দান করার
নিমিত্তে সেচ্ছকৃতভাবে গুরুতর আঘাত দানের শাস্তি।
দঃবিঃ ধারা-৩৩৪ উত্তেজনাবশত উচ্চাকতভাবে আঘাত দানের শাস্তি
দঃবিঃ ধারা-৩৩৫ উত্তেজনাবশত ইচ্ছাকৃতভাবে গুরতর আঘাত দানের শাস্তি
দঃবিঃ ধারা-৩৩৮
(ক)
গণপথে বেপরোয়া যান বা অশ্ব চালনা করিয়া গুরুতর আঘাতদানের শাস্তি
দঃবিঃ ধারা-৩৩৯ অন্যায় নিয়ন্ত্রন
বা অবৈধ বাধা ।
দঃবিঃ ধারা-৩৪০ অন্যায় আটক বা
অবৈধ অবরোধ ।
দঃবিঃ ধারা-৩৪১ অবৈধ বাধা দানের
শাস্তি
দঃবিঃ ধারা-৩৪২ অবৈধ অবরোধের শাস্তি
।
দঃবিঃ ধারা-৩৪৩ তিন বা ততোধিক
দিবসের জন্য অবৈধ অবরোধের শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা-৩৪৪ দশ বা ততোধিক নিবসের
জন্য অবৈধ অবরোধের শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা-৩৪৬ গোপনে অবৈধ অবরোধের
শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা-৩৪৭ বল পূর্বক সম্পত্তি
ছিনাইয়া লইবার বা অবৈধ কাজ করিতে বাধ্য করিবার জন্য অবৈধ অবরোধের শান্তি ।
দঃবিঃ ধারা-৩৪৮ স্বীকারোক্তি আদায়
করিবার বা সম্পত্তি প্রত্যার্পন করিতে বাধ্য করিবার জন্য অবৈধ অবরোধের শান্তি ।
দঃবিঃ ধারা-৩৪৯ যদি কোন ব্যক্তি
অপর কোন ব্যক্তিকে বল প্রয়োগ করে গতিশীল করায়, গতি পরিবর্তন করায় বা গতি রোধ করায়
কিংবা উক্ত অপর ব্যক্তির অনুভূতিকে প্রভাবিত করে তবে তাহা বল প্রয়োগ করে বলে গন্য
হইবে।
দঃবিঃ ধারা-৩৫০ অপরাধ মূলক বল প্রয়োগঃ-
দঃবিঃ ধারা-৩৫১ আক্রমনঃ- যদি কোন ব্যক্তি আক্রমনের উদ্দেশ্যে এমন কোন অঙ্গভঙ্গি
করে বা প্রস্তুতি লয় যাতে উপস্থিত কোন ব্যক্তির মনে ভয় হয় তবে তাহাকে আক্রমন বলা
হয় ।
দঃবিঃ ধারা-৩৫২ অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের
শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা-৩৫৩ সরকারী কর্মচারীকে কর্তব্য পালনে বাধাদানের নিমিত্তে
আক্রমন ও অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের শান্তি
দঃবিঃ ধারা-৩৫৪ নারীর শালীনতা
নষ্ট করার উদ্দেশ্যে অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা-৩৫৯ মনুষ্য হরনের সংজ্ঞা
:-
দঃবিঃ ধারা-৩৬০ বাংলাদেশ হইতে
মনুষ্য হরনঃ-
দঃবিঃ ধারা-৩৬১ আইনানুক অভিভাবক
হইতে মনুষ্য হরণ সংজ্ঞা- কোন অপ্রাপ্ত বয়সের ছেলে মেয়েকে যদি কোন ব্যক্তি তাদের অভিভাবকের
অনুমতি ছাড়া অসৎ উদ্দেশ্যে নিয়ে যায় তবে তাকে অপহরন বলে ।
দঃবিঃ ধারা-৩৬২
অপহরণের সংজ্ঞা- যে ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তিকে কোন স্থান থেকে গমন করাবার
জন্য জোরপূর্বক বাধ্য করে কোন প্রতারনামূলক উপায়ে প্রলুব্ধ করে সে ব্যক্তি অপর ব্যক্তিকে
অপরহরণ করেছে বলে গণ্য হবে ।
দঃবিঃ ধারা-৩৬৩ মনুষ্য অপহরনের
শাস্তি
দঃবিঃ ধারা-৩৬৪ খুন করার উদ্দেশ্যে
মনুষ্য হরন বা অপহরনের শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা-৩৬৪
(ক)
১০ বছরে কোন্সশিশুকে অপহরনের শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা-৩৬৫ কোন ব্যক্তিকে
গোপনভাবে বা অবৈধ ভাবে অবরোধ করার উদ্দেশ্যে অপহরন বা হরন করার
শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা-৩৬৬ কোর নারীকে বিবাহ
করার জন্য বাধ্য করার নিমিত্তে অপহরন বা হরন করার শাস্তি।
দঃবিঃ ধারা-৩৬৬
(ক)
অপ্রাপ্ত বয়স্ক বালিকা সংগ্রহ করন
দঃবিঃ ধারা-৩৬৬
(খ)
বিদেশ হইতে বালিকা আমদানি করন
দঃবিঃ ধারা-৩৭২ বেশ্যাবৃত্তি ইত্যাদির
উদ্দেশ্যে অপ্রাপ্ত বয়স্কদের বিক্রয় করার শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা-৩৭৫ ধর্ষণের সংজ্ঞা
।
দঃবিঃ ধারা-৩৭৬ ধর্ষণের শাস্তি
।
দঃবিঃ ধারা-৩৭৭ অস্বাভাবিক অপরাধসমূহ-
প্রকৃতিক নিয়মের বিরুদ্ধে যৌন সহবাস করার শাস্তি।
দঃবিঃ ধারা-৩৭৮ চুরির সংজ্ঞা ।
দঃবিঃ ধারা-৩৭৯ চুরির শাস্তি
দঃবিঃ ধারা-৩৮০ বাসগৃহ ইত্যাদি
হইতে চুরি ।
দঃবিঃ ধারা-৩৮১ কেরানী বা চাকর
কর্তৃক চুরি ।
দঃবিঃ ধারা-৩৮২ চুরি করিবার উদ্দেশ্যে
মৃত্যু ঘটানো, আঘাতদান বা আটকাইবার প্রস্তুতি লওয়ার পর চুরি ।
দঃবিঃ ধারা-৩৮৩ বলপূর্বক গ্রহনের
সংজ্ঞা-
দঃবিঃ ধারা-৩৮৪ বলপূর্বক গ্রহনের
শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা-৩৮৫ বলপূর্বক কিছু
গ্রহনের উদ্দেশ্যে কোন ব্যক্তিকে কোন ক্ষতির ভয় দেখানো ।
দঃবিঃ ধারা-৩৮৬ মৃত্যু বা আঘাতের
ভয় দেখিয়ে বলপূর্বক গ্রহনের শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা-৩৮৭ বলপূর্বক কিছু
গ্রহনের উদ্দেশ্যে কোন ব্যক্তিকে মৃত্যু বা মারাত্মক জখমের ভয় দেখানো মৃত্যু বা
দঃবিঃ ধারা-৩৮৮ যাবজ্জীবন কারাদন্ড
ইত্যাদিতে দণ্ডনীয় অপরাধের অভিযোগে ভয় দেখাইয়া বল পূর্বব
গ্রহণ ।
দঃবিঃ ধারা-৩৮৯ বলপূর্বক কিছু
গ্রহনের উদ্দেশ্যে কোন ব্যক্তিকে অপরাধে অভিযুক্ত করিবার ভয় দেখানো ।
দঃবিঃ ধারা-৩৯০ যে ক্ষেত্রে চুরি
দস্যুতা বলিয়া গণ্য হয়া
দঃবিঃ ধারা-৩৯১ ডাকাতির সংজ্ঞা
।
দঃবিঃ ধারা-৩৯২ -- দস্যুতার শাস্তি
।
দঃবিঃ ধারা-৩৯৩ দস্যুতা অনুষ্ঠানের
উদ্যেগের শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা-৩৯৪ দস্যুতা অনুষ্ঠানকালে
স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত প্রদানের শাস্তি । ডাকাতির শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা-৩৯৬ খুনসহ ডাকাতির
শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা-৩৯৭ মৃত্যু বা গুরুতর
আঘাত সংঘটনের উদ্দ্যেগ সহকারে দস্যুতা বা ডাকাতির শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা-৩৯৮ মারাত্মাক অস্ত্রে
সজ্জিত হয়ে দস্যুতা বা ডাকাতি করার উদ্দ্যেগের শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা-৩৯৯ ডাকাতির প্রস্তুতি
গ্রহনের শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা-৪০০ ডাকাত দলভুক্ত
হওয়ার শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা-৪০১ চুরদের দলভূক্ত
হওয়ার শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা-৪০২ ডাকাতির উদ্দেশ্যে
সমবেত হওয়ার শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা-৪০৩ অসাধুভাবে সম্পত্তি
আত্নসাৎকরনের শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা-৪০৪ মৃত ব্যক্তি মৃত্যুকালে
উহার দখলভুক্ত সম্পক্তি অসাধুভাবে আত্মসাৎ করনের শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা-৪০৫ অপরাধমূলক বিশ্বাস
ভঙ্গের সংজ্ঞা-যদি কোন ব্যক্তি কোন প্রকার সম্পত্তি বা সম্পত্তির উ আধিপত্যের ভারপ্রাপ্ত
হয়ে উক্ত সম্পত্তি অসাধুভাবে আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে পরি করে সে ব্যক্তি অপরাধ
মূলক বিশ্বাসভঙ্গ করেছে বলে গন্য হবে ।
দঃবিঃ ধারা-৪০৬ অপরাধমূলক বিশ্বাস
ভঙ্গেও শাস্তিঃ-
দঃবিঃ ধারা-৪০৭ বাহক বা গুদামরক্ষক
প্রভৃতি কর্তৃক অপরাধমুলক বিশ্বাস ভঙ্গের শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা-৪০৮ চাকর বা কেরানী
কর্তৃক অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গের শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা-৪০৯ সরকারী কর্মচারী
বা ব্যাংকার, বনিক বা প্রভৃতি কর্তৃক অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গের শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা-৪১০
চোরাইমাল - যে সম্পত্তি চুরি, জোর পূর্বক আদায় বা দস্যুতার ফলে হস্তান্তরিত হইয়ােসম্পত্তিকে
চোরাই মাল বলা হয় ।
দঃবিঃ ধারা-৪১১ অসাধুভাবে চোরাইমাল
গ্রহণ করা ।
দঃবিঃ ধারা-৪১২ ডাকাতির মাধ্যমে
চোরাইমাল অসাধুভাবে গ্রহণ করার শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা-৪১৩ অভ্যাসগত ভাবে
চোরাইমাল বেচাকেনা করার শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা ৪১৫ প্রতারণার সংজ্ঞা
দঃবিঃ ধারা ৪১৬ অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণা
দঃবিঃ ধারা ৪১৭ প্রতারণার শাস্তি
দঃবিঃ ধারা ৪১৯ অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণার শাস্তি
দঃবিঃ ধারা ৪২০ প্রতারণা বা সম্পত্তি সমর্পণ করিবার জন্য অসাধুভাবে প্রবৃত্তি করার শাস্তি
দঃবিঃ ধারা ৪২৫ অনিষ্টের সংজ্ঞা যে ব্যক্তি জনসাধারণ বা কোন ব্যক্তির অবৈধ লোকসান বা ক্ষতি সাধন করার অভিপ্রায় কোন সম্পত্তি নষ্ট করে সে ব্যক্তি অনিষ্ট সাধন করেছে বলে গণ্য হবে
দঃবিঃ ধারা ৪২৬ অনিষ্টের শাস্তি।
দঃবিঃ ধারা ৪২৭ ৫০ টাকা পরিমাণ ক্ষতি করিয়া অনিষ্ঠ সাধন
দঃবিঃ ধারা ৪২৮ ১০ টাকা মূল্যের কোন জন্ত হত্যা বা বিকলাঙ্গ করিয়া অনিষ্ট সাধন
দঃবিঃ ধারা ৪৩১ সরকারি রাস্তা, পুল, নদী বা খালের ক্ষতি করিয়া অনিষ্ঠ সাধন।
দঃবিঃ ধারা ৪৩৬ গৃহে অগ্নি সংযোগের সাহায্যে অনিষ্ঠ করার শাস্তি ।
দঃবিঃ ধারা ৪৪০ মৃত্যু বা আঘাত ঘটাইবার প্রস্তুতি গ্রহণের পর অনিষ্ট সাধন করার শাস্তি
দঃবিঃ ধারা ৪৪১ অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ
দঃবিঃ ধারা ৪৪২ অনাধিকার গৃহে প্রবেশ
দঃবিঃ ধারা ৪৪৩ সঙ্গোপনে অনধিকার গৃহে প্রবেশ
দঃবিঃ ধারা ৪৪৪ রাত্রিবেলায় সঙ্গোপনে অনধিকার গৃহে প্রবেশ
দঃবিঃ ধারা ৪৪৫ অপথে গৃহে প্রবেশ
দঃবিঃ ধারা ৪৪৭ অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশের শাস্তি
দঃবিঃ ধারা ৪৪৮ অনধিকার গৃহে প্রবেশের শাস্তি
দঃবিঃ ধারা ৪৫০ যাবজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ করিবার উদ্দেশ্যে অনধিকার গৃহে প্রবেশ
দঃবিঃ ধারা ৪৫২ আঘাত, আক্রমণ, অন্যায় নিয়ন্ত্রণ আরোপের প্রস্তুতি গ্রহণার্থে অনধিকার গৃহে প্রবেশের শাস্তি
দঃবিঃ ধারা ৪৫৪ কারাদণ্ডের দণ্ডনীয় অপরাধ করিবার উদ্দেশ্যে সমগোপনে গৃহে অনধিকার প্রবেশ অথবা শিব কাটিয়া গৃহে প্রবেশের শাস্তি
দঃবিঃ ধারা ৪৫৭ কারাদন্ডে দন্ডনীয় অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে রাত্রি সঙ্গোপনে গৃহে অনাধিকার প্রবেশ বা সিদ কাটিয়া গৃহে প্রবেশের শাস্তি।
দঃবিঃধারা ৪৬০ রাত্রে সঙ্গোপনে রাত্রে সংগোপনে গৃহ অনাদিকার প্রবেশ বা শীত কাটিয়ে গৃহে প্রবেশের সহিত সম্মিলিতভাবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে কোন একজন কাহারো মৃত্যু বা মারাত্মক আঘাত দিলে সকলেই দণ্ডনীয় হইবে
দঃবিঃ ধারা ৪৬১ অসাধুভাবে সম্পত্তি সম্বলিত আঁধার ভাঙ্গিয়া উন্মুক্ত করা
দঃবিঃ ধারা ৪৬৩ জালিয়াতির সংজ্ঞা
দঃবিঃ ধারা ৪৬৫ জালিয়াতের শাস্তি
দঃবিঃ ধারা ৪৬৬ আদালতের নথিপত্র বা সরকারি রেজিস্টার ইত্যাদি জাল করন
দঃবিঃ ধারা ৪৭৭ মূল্যবান জামানত উইল ইত্যাদি জাল করনের শাস্তি
দঃবিঃ ধারা ৪৬৮ প্রতারণা করিবার উদ্দেশ্যে জালিয়াতি
দঃবিঃ ধারা ৪৬৯ মানহানির উদ্দেশ্যে জালিয়াতি
দঃবিঃ ধারা ৪৭০ জাল দলিল সম্পূর্ণরূপে জালকিত কিংবা আংশিক ভাবে জালকৃত যে কোন মিথ্যা দলিলকে জাল দলিল বলা হয়
দঃবিঃ ধারা ৪৮৯ (ক) মুদ্রা নোট সমূহ বা ব্যাংক নোট সমূহ জাল করেন
দঃবিঃ ধারা ৪৯৩ প্রতারণামূলকভাবে আয়না নৌক বিবাহের বিশ্বাসে পুরচিত করিয়া কোন ব্যক্তি কর্তৃক স্বামী স্ত্রী রূপে সহবাস
দঃবিঃ ধারা ৪৯৭ ব্যাভিচারের সংজ্ঞা যে ব্যক্তি ওপর কোনো ব্যক্তির স্ত্রী সহিত উক্ত অপর ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া যৌনসঙ্গম করে সে ব্যক্তি ব্যাভিচার করেছে বলে গণ্য হইবে
দঃবিঃ ধারা ৪৯৮ কোন বিবাহিতা নারীকে অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে উপলব্ধকরন বা অপহরণ অথবা আটক করনের শাস্তি
দঃবিঃ ধারা ৪৯৯ মানহানের সংজ্ঞা যদি কোন ব্যক্তি চেনে বা স্থাপিতভাবে অপর কোন ব্যক্তির নিন্দা করে বা সুনাম নষ্ট করার জন্য কোন কার্য করে তবে সেই ব্যক্তি উক্ত অপর ব্যক্তির মানহানি করেছে বলে গণ্য হবে
দঃবিঃ ধারা ৫০০ মানহানির শাস্তি
দঃবিঃ ধারা ৫০১ মানহানি কর বলিয়া পরিচিত বিষয় মুদ্রণ বা খোদাইকরণ করার শাস্তি
দঃবিঃ ধারা ৫০২ মানহানি কর বিষয় সম্বলিত মুদ্রিত বা খোদাইকৃত বস্ত্র বিক্রয় করার শাস্তি
দঃবিঃ ধারা ৫০৩ অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের সংজ্ঞা যে ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তিকে আতঙ্কিত করার অভিপ্রায় কাজ করিতে বাধ্য নয় তা করতে বাধ্য করা বা যে কার্য করার আইনগত অধিকার আছে তা হইতে তাকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে ভীতি প্রদর্শন করে সেই ব্যক্তি অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করেছে বলে গণ্য হবে।
দঃবিঃ ধারা ৫০৪ শাস্তি ভঙ্গের জন্য উত্তেজনা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে অপমান ।
দঃবিঃ ধারা ৫০৬ অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের শাস্তি
দঃবিঃ ধারা ৫০৭ বেনামী চিঠিপত্রের মাধ্যমে অপরাধমূলক রীতি প্রদর্শনের শাস্তি
দঃবিঃ ধারা ৫০৮ কোন ব্যক্তিকে সে বেদ আক্রোশ কবলিত হইবে বলিয়া বিশ্বাস করিবার জন্য পরিচিত কোরিয়া কোন কার্যসম্পাদন করা
দঃবিঃ ধারা ৫০৯ কোর নারীর শালীনতার অমর্যাদার অবিব্রয়ের মন্তব্য অঙ্গভঙ্গি বা কোন কার্য
দঃবিঃ ধারা ৫১০ প্রকাশে মাতাল ব্যক্তি অশোভন আচরণের শাস্তি
দঃবিঃ ধারা ৫১১ যাবজ্জীবন বা কারাদণ্ডের দন্ডনীয় অপরাধ সমূহ সংগঠনের উদ্যোগের শাস্তি
- আইনের শিরোনাম প্রদান করে।
- আইনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শব্দের সংজ্ঞা দেয়, যেমন ডিক্রি, আদেশ, বিচারক ইত্যাদি।
- আদালতকে কোন কোন দেওয়ানী মামলার বিচার করার এখতিয়ার দেয় এবং কোন কোন ক্ষেত্রে এখতিয়ার নেই তা উল্লেখ করে।
- মামলার শুরু সম্পর্কে বলা হয়েছে, যেখানে আরজি দাখিলের মাধ্যমে মামলা দায়ের করতে হয়।
- এই ধারায় 'তদবির' (preparatory proceeding) সম্পর্কে বলা হয়েছে, যা আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী মামলার প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম যেমন তথ্য সংগ্রহ, সাক্ষ্য উপস্থাপন ইত্যাদি বোঝায়।
- এই আইনটি মূলত দুটি অংশ নিয়ে গঠিত:
- ধারা: ১৫৮টি ধারা নিয়ে গঠিত।
- আদেশ: ৫১টি আদেশ নিয়ে গঠিত।
- এই ধারা এবং আদেশগুলো দেওয়ানী মামলার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
ফৌজদারি G.r. case অর্থাৎ
সাধারণ নিবন্ধন মামলার ৯টি ধাপ সম্পর্কে নিচে আলোচনা করা হলঃ ১।মামলা রুজু ২। ওয়ারেন্ট/সমন ৩। তদন্ত প্রতিবেদন প্রাপ্তি ৪। মামলা বদলী ৫। ২৪২ ধারায় চার্জ গঠন
৬।সাক্ষী ৭।৩৪২ ধারা আসামি পরীক্ষা ৮।যুক্তিতর্ক ৯। রায় /খালাস ফোঃ কাঃ বিঃ ৩৬৬-৩৭৩
১।মামলা রুজুঃ
* G.r. case অর্থাৎ সাধারণ নিবন্ধন মামলা শুরু হয় থানায় অভিযোগ দাখিলের মাধ্যমে। সাধারণত
অভিযোগকারী এজাহারে দাখিল করে থানার কর্তব্যরত অফিসার থানায় FIR
সাধারণ ডায়েড়ী ফরমে এজাহারের তথ্য গুলো লিপিবদ্ধ করেন। এর মাধ্যমে G.r.
case অর্থাৎ সাধারণ নিবন্ধন মামলা শুরু হয়।
*আমলযোগ্য সকল অপরাধের জন্য থানায় মামলা করা যায়। ফৌজদারি কার্যবিধির তফসিল
২ এর কলাম ৩ এ উল্লেখ আছে পুলিশ বিনা পরোয়ানায়
গ্রেফতার করতে পারলে সেটি আমলযোগ্য অপরাধ।
* মামলা রুজু করা হয়ে গেলে পুলিশ ২৪ ঘন্টার মধ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
মামলার নথি পাঠাইবেন।এর পর মামলার পরবর্তী কার্যক্রম শুরু হয়।
২। ওয়ারেন্ট/সমনঃ
মামলা যদি আমলযোগ্য অপরাধের হয় তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধের ধরন ও আইন
অনুযায়ী ওয়ারেন্ট বা সমন ইস্যু করেন।
বাদীর করণীয়ঃ বাদীর
হাজিরা
আসামী পক্ষের করণীয়ঃ আসামীর
ওকালতনামা দাখিল বা আসামি গ্রেফতার বা আসামী আদালতে আত্মসমর্পণ করলে জামিন আবেদন করা
যায়।
৩। তদন্ত প্রতিবেদন প্রাপ্তিঃ
ততন্ত প্রতিবেদন দুই ধরনের হয় যেমন চার্জশিট, চূড়ান্ত প্রতিবেদন ।
বাদীর করণীয়ঃ বাদী
বা ফরিয়াদির হাজিরা বা নারাজির আবেদন করতে পারেন।
আসামি পক্ষের করণীয়ঃ আসামীর
ওকালতনামা দাখিল আসামী গ্রেফতার বা আদালতে আত্মসমর্পণ করলে জামিন আবেদন করা যায়।
৪। মামলা বদলীঃ
*আমলী আদালত থেকে বিচারিক আদালতে মামলা বদলী আসামী আদালতের চার্জসিটে আসা
ও আসামীকে মামলা সম্পর্কে অবগত হওয়া পর্যন্ত চলমান থাকে। বিচারিক আদালত এখতিয়ার সম্পূর্ণ
আদালতে বিচারের জন্য প্রেরণ করা হয়। এই আদালত রায় প্রদান করে।
*বাদীর ব্যক্তিগত আইনজীবী
৫। চার্জগঠন ২৪২ ধারাঃ
চার্জ শুনানির দিন আসামির আইনজীবী যদি আইনগতভাবে কোর্ট কে সন্তুষ্ট করতে
পারেন যে আসামী নির্দোষ তাহলে কোর্ট মামলাটি
খারিজ করে দিতে পারেন। অর্থাৎ মামলা এখানেই শেষ। আর যদি কোর্ট চার্জ গঠন করেন তাহলে
সাক্ষী গ্রহণের দিন ধায্য করবেন। ২৪২ ধারায় চার্জ গঠন করা হয়।
বাদীর করণীয়ঃ বাদীর
হাজিরা বা সময়ের আবেদন।
আসামী পক্ষের করণীয়ঃ আসামির
হাজিরা বা আসামি জেলে থাকলে হাজিরার প্রয়োজন নেই। সেই ক্ষেত্রে জামিন আবেদন করা যাবে।
পূর্ব শর্তে জামিন আবেদন বা সময়ের দরখাস্ত।
৬। সাক্ষীঃ
এই পর্যায়ে বাদী পক্ষের আইনজীবী বাদীসহ তার মনোনীত সাক্ষীদের জবানবন্দী
গ্রহণ করেন এবং আসামীর পক্ষ তাদের জেরা করেন।
বাদী পক্ষের করণীয়ঃ বাদী
পক্ষের হাজিরা বা সময়ের আবেদন ।
আসামী পক্ষের করণীয়ঃ আসামির
হাজিরা বা আসামী পক্ষের জেরার জন্য সময়ের আবেদন।
৭। ৩৪২ ধারায় আসামী পরিক্ষাঃ
ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৪২ ধারা আসামি পরীক্ষা করা হয়। ৩৪০ ধারা অনুযায়ী
আসামী আদালতে আবেদন করে সাফাই সাক্ষী দিবেন। আর ৩৪২ ধারা অনুযায়ী আদালত স্বপ্রনোদিত সহমত হয়ে আসামীর সাক্ষী নিবেন। সাফাই সাক্ষী
বাদী পক্ষের করণীয়ঃ বাদীর
হাজিরা বা জেরার জন্য আবেদন।
আসামী পক্ষের করণীয়ঃ আসামী
পক্ষের হাজিরা বা সময়ের আবেদন।
৮।যুক্তিতর্কঃ
সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ সমাপ্ত হলে আদালত উভয়পক্ষের আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক
শ্রবণ পূর্বক রায় ঘোষণার জন্য তারিখ ঘোষণা করেন।
বাদী পক্ষের করণীয়ঃ বাদী
পক্ষের হাজিরা বা সময়ের আবেদন।
আসামী পক্ষের করণীয়ঃ আসামীর
হাজিরা বা আসামী পক্ষের সময়ের আবেদন।
৯। রায়ঃ
সাক্ষীদের সাক্ষ্য মামলার নথি ও অন্যান্য পারিপার্শ্বিক অবস্থার বিচার-বিশ্লেষণ
করে আদালতের নিকট সন্দেহাতীতভাবে আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুসারে
শাস্তি প্রদান করেন আর যদি অভিযোগ প্রমাণিত না হয় তাহলে খালাস প্রদান করেন। ফৌজদারী
কার্যবিধির ৩৬৬ ধারা থেকে ৩৭৩ ধারায় খালাস
প্রদান করা হয়।
বাদী পক্ষের করণীয়ঃ বাদী
পক্ষের হাজিরা
আসামী পক্ষের করণীয়ঃ আসামীর
হাজিরা।
আদালতের রায়ের মাধ্যমে ফৌজদারী
মামলার কার্যক্রম শেষ হয়
লেখকঃ আইন প্রধান বিচারপতি আব্দুর রহিম চৌধুরী বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট
আপিল বিভাগ আন্তঃ কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,গোবরা-৮১০০ মহানগর শহর
+8801728892667/01913454004/01306829991
পুলিশের ক্ষমতা ফৌজদারি কার্যবিধি ৫৪ ধারা
গুরুত্বপূর্ণ!
আইন ও পুলিশঃ
পুলিশের ক্ষমতা ফৌজদারি
কার্যবিধি ৫৪ ধারা কেন গুরুত্বপূর্ণ তা জানার পূর্বে আইন সম্পর্কে
জানা প্রয়োজন। আইন হল একটি নিয়ম যা মানুষের সৃষ্টি। দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য
অপরিহার্য অংশ হল আইন। কারণ আইন আমাদের শেখায় কি করা যাবে অথবা করা যাবে
না।বিভিন্ন দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রাখার জন্য বিভিন্ন ধরনের আইন রয়েছে।
ফৌজদারি কার্যবিধি তেমন একটি গুরুত্বপূর্ণ আইন।
আইনের
কারণে মানুষ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ থেকে দূরে থাকে। আর সেই আইন প্রয়োগকারী সংস্থা
হচ্ছে পুলিশ বাহিনী। যদিও কিছু আইন প্রয়োগ করার জন্য অন্যন্য বাহিনী বা সংস্থাকে
কিছু দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে মূল ভূমিকা
পালন করে পুলিশ বাহিনী।আজকের পোস্টের মাধ্যমে পুলিশের ক্ষমতা ফৌজদারি কার্যবিধি ৫৪
ধারা কেন গুরুত্বপূর্ণ সে বিষয়ে আলোচনা করা হবে।
পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ, যোগ্যতা, ট্রেনিং ও
বেতনভাতাদি বিস্তারিত।
ফৌজদারি কার্যবিধি ৫৪
ধারা কিঃ
ফৌজদারি
কার্যবিধি আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা হল ৫৪. এই আইন বলে যে কোন পুলিশ অফিসার
পরোয়ানা ব্যতীত অর্থাৎ আদালতের অনুমতি ছাড়াই যে কোন ব্যাক্তিকে গ্রেফতার করতে
পারে। ফৌজদারি কার্যবিধি ৫৪ ধারার ৯ টি নিয়ম রয়েছে।
(০১)
কোন আমলযোগ্য অপরাধের সাথে জড়িত কোন ব্যক্তি বা জড়িত রয়েছে বলে দিচ্ছে মতো কারণ
রয়েছে। (আমলযোগ্য অপরাধ বলতে বড় ধরনের অপরাধ যেমন চুরি, ডাকাতি, খুন, ছিনতাই,
ধর্ষণ ইত্যাদি )
(০২)
যুক্তিসঙ্গত কারণ ব্যতীত যাহার নিকট ঘর ভাঙ্গার যন্ত্রপাতি রয়েছে ( শাবল, কুড়াল,
লোহার রড)।
(০৩)
সরকার কর্তৃক যাহাকে অপরাধী ঘোষণা করা হয়েছে।
(০৪)
যাহার নিকট চোরাইমাল আছে বা চোরাইমাল সম্পর্কে কোন অপরাধ করেছে মর্মে যুক্তিসঙ্গত
কারন রয়েছে।
(০৫)
পুলিশ অফিসারে কাজে কোন ব্যাক্তি বাধাদান করলে বা আইনসঙ্গত পুলিশ হেফাজত হতে পলায়ন
করলে।
(০৬)
বাংলাদেশ প্রতিরক্ষা বাহিনী অর্থাৎ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী হতে পলায়ন
কারী কোন ব্যাক্তিকে।
(০৭)
বাংলাদেশের বাহিরে কোন অপরাধ করলে যা বাংলাদেশে করলে অপরাধ হত এমন অপরাধীকে।
(০৮)
কোন মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি দন্ডভোগের পর নিজের বাসস্থান পরিবর্তন করলে বা বাসস্থান
ত্যাগ করলে।
(০৯)
যদি কোন ব্যাক্তিকে গ্রেফতারের জন্য অন্য পুলিশ অফিসার হইতে অনুরোধপত্র পাওয়া
গেলে।
মামলায় পড়লে কি করবেন-বিস্তারিত জানুন
কিভাবে জামিন নিবেন-বিস্তারিত জানুন
নোটঃ ফৌজদারি কার্যবিধি ৫৪ ধারায় বাংলাদেশ পুলিশকে অনেক ক্ষমতা
দেওয়া হয়েছে। কারণ এই ধারা অনুযায়ী যে কোন ব্যাক্তি বা অপরাধীকে সহজেই গ্রেফতার
করা যায়। যাহাতে আদালতের অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন হয় না। যদিও আইনশৃঙ্গলা বাহিনীর
বিরুদ্ধে এই আইনের অপব্যবহারের অ়ভিযোগ মাঝে মধ্যে তোলা হয়। তবুও দেশের আইনশৃঙ্খলা
রক্ষা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধি ৫৪ ধারার ক্ষমতা গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা পালন করে।
আকাশের যত তারা পুলিশের তত ধারা কেন বলা হয়
আকাশের
যত তারা পুলিশের তত ধারা কেন বলা হয়
পৃথিবীর
বিভিন্ন দেশে পুলিশ বাহিনীতে চাকরী করাকে অত্যন্ত সম্মানজনক পেশা হিসেবে গণ্য করা
হয়। আইনি ক্ষমতার সুষ্ঠু ব্যবহারের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পুলিশ বাহিনী আলাদা
স্থান করে নিয়েছে। কিন্তু আমাদের দেশে পুলিশ বাহিনীর চাকরিকে সেভাবে মূল্যায়ন করা
হয় না। তাই বর্তমান আধুনিক সমাজেও পুলিশ এবং জনগণের মধ্যে আন্তরিকতার পরিবেশ
ভালোভাবে গড়ে উঠেনি। নানা বিধ কারণে পুলিশের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। তার মধ্যে
আইনি ক্ষমতার অপব্যবহার এর বিষয়টি অন্যতম। তাছাড়া আমাদের মধ্যেও দেশের প্রচলিত
আইনকানুন সম্পর্কে সচেতনতার অভাব রয়েছে। পুলিশ বাহিনী সম্পর্কে আমাদের নেতিবাচক
মনোভাবের কারণে বিভিন্ন ধরনের লোককথা মুখে মুখে প্রচলিত রয়েছে। তার মধ্যে আকাশের
যত তারা পুলিশের তত ধারা কথাটি বেশ প্রচলিত। এই বিষয়ে জানতে হলে আমাদের আগে
বাংলাদেশের বলবৎ আইনগুলো সম্পর্কে জানতে হবে।
বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ আইনগুলো কি
কি?
০১।
দন্ডবিধি আইন, ০২। ফৌজদারি কার্যবিধি, ০৩। স্বাক্ষ্য আইন, ০৪। পুলিশ আইন, ০৫।
অস্ত্র আইন, ০৬। এসিড অপরাধ দমন আইন, ০৭। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ০৮। তথ্য ও
যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ০৯। দুর্নীতি দমন আইন, ১০। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন
২০০০ (সংশোধনী-২০০৩), ১১। নির্যাতন এবং হেফাজত মৃত্যু (নিবারণ) আইন ২০১৩, ১২। পিতা
মাতার ভরপোষণ আইন ২০১৩, ১৩। প্রকাশ্যে জুয়া আইন ১৮৬৭, ১৪। বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন
২০১৭ ১৫। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮, ১৬।মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন ২০১২,
১৭। সড়ক ও পরিবহন আইন ২০১৮, ১৮। ঢাকা মহানগরী পুলিশ অধ্যাদেশ, ১৯। চট্রগ্রাম
মহানগরী পুলিশ অধ্যাদেশ, ২০। খুলনা মহানগরী পুলিশ অধ্যাদেশ, ২১। রাজশাহী মহানগরী
পুলিশ অধ্যাদেশ, ২২। বরিশাল মহানগরী পুলিশ অধ্যাদেশ, ২৩। সিলেট মহানগরী পুলিশ
অধ্যাদেশ, ২৪। গাজীপুর মহানগরী পুলিশ অধ্যাদেশ, ২৫। রংপুর মহানগরী পুলিশ
অধ্যাদেশসহ প্রায় ৪০০ এর বেশি সংখ্যক আইন বাংলাদেশে বলবৎ রয়েছে।
আইনের ধারা কেনঃ-
উপরের
আলোচনা থেকে আমরা জানতে পারলাম বাংলাদেশে ৪০০ এর অধিক আইন রয়েছে। প্রতিটি আইনের
আবার গড়ে ১০০ টির বেশি ধারা আছে। সে হিসেবে ৪০০০ এর মত ধারা যার প্রতিটি ধারায়
বিভিন্ন ধরনের অপরাধের বর্ণনা, শাস্তি, জরিমানা,আদালত, বিচারক, পুলিশ ও
সর্বসাধারণের জন্য নিয়মকানুন ও বিধি নিষেধ এর বিস্তারিত বর্ণনা করা হয়েছে। একজন
মানুষ যত ধরনের অপরাধ করে তার প্রত্যেকটি অপরাধ ও শাস্তির বর্ণনা আইনের ধারায়
রয়েছে। তাছাড়া আলোচ্য উক্তিটির প্রধান কারন হলো ধরুন পুলিশ আপনাকে গ্রেফতার করতে
আসল কিন্তু কোন কারন না পেল না। তবুও পুলিশ আপনাকে আইনের কমপক্ষে ১০ টি
ধারায় বিভিন্ন কারন দেখিয়ে গ্রেফতার করতে পারে। শুধুমাত্র সন্দেহ হলেই পুলিশ
আপনাকে গ্রেফতার করতে পারে। তখন আপনিও এই কথা বলতে বাধ্য হবেন।
প্রকৃতপক্ষে
অধিক সংখ্যক আইনের নিয়মকানুন, আইনের ব্যাপকতা ও আইন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা না
থাকার কারণে আমাদের দেশে আকাশের যত তারা পুলিশের তত ধারা কথাটির উদ্ভব হয়েছে। আত্মরক্ষার জন্য খুন করলেও অপরাধ হবে না-আইন জানুন
অপরাধঃ
যে
সকল কাজ আইনে করতে বলা হয়েছে তা না করলে অথবা যে সকল কাজ আইনে না করতে বলা হয়েছে
তা করাই হল অপরাধ। ছোট বড় বিভিন্ন ধরনের অপরাধ রয়েছে। অপরাধের ধরণ ও প্রকৃতি
অনুসারে বিভিন্ন ধরনের শাস্তির বিধান রয়েছে। অপরাধের শাস্তি হিসেবে জেল জরিমানা
করা হয়। আবার কিছু অপরাধ করলে আইনে মৃত্যুদন্ড দেওয়ার বিধান রয়েছে। আজকে
বাংলাদেশে প্রযোজ্য যে সকল অপরাধ করলে মৃত্যুদন্ড দেওয়ার বিধান রয়েছে তা আলোচনা
করা হবে। পোষ্টটি মনোযোগ সহকারে পড়লে নতুন তথ্য জানতে পারবেন।
বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধঃ
যদি
কোন ব্যাক্তি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে,করার উদ্যেগ গ্রহন বা সহায়তা করে
তাহলে উক্ত অপরাধের জন্য মৃত্যুদন্ডের বিধান রয়েছে।
(দন্ডবিধি আইনের ১২১ ধারা)
মিথ্যা স্বাক্ষ্যঃ
যদি
কোন ব্যাক্তি মিথ্যা স্বাক্ষ্য প্রদান করে এবং উক্ত মিথ্যা স্বাক্ষ্যের জন্য কোন
নিরাপরাধ ব্যাক্তিকে মৃত্যুদন্ড দেওয়া হয় তাহলে উক্ত অপরাধের জন্য
মৃত্যুদন্ডের বিধান রয়েছে।
(দন্ডবিধি আইনের ১৯৪ ধারা)
খুন করাঃ
যদি
কোন ব্যাক্তি অন্য কোন ব্যাক্তিকে খুন করে তবে তাহলে উক্ত অপরাধের জন্য
মৃত্যুদন্ডের বিধান রয়েছে।
(দন্ডবিধি আইনের ৩০২ ধারা)
যাবজ্জীবন দন্ডে দন্ডিত ব্যাক্তি কতৃক খুনঃ
যদি
কোন ব্যাক্তি যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত হয়ে খুন করে তাহলে তাহলে উক্ত অপরাধের
জন্য মৃত্যুদন্ডের বিধান রয়েছে।
(দন্ডবিধি আইনের ৩০৩ ধারা)
শিশুর বা উন্মাদ ব্যাক্তির আত্মহত্যায় সহায়তাঃ
কোনো
ব্যাক্তি যদি শিশু, বয়ষ্ক বা অপ্রকৃতস্থ ব্যাক্তিকে আত্মহত্যায় সহায়তা করে তাহলে
উক্ত অপরাধের জন্য মৃত্যুদন্ডের বিধান রয়েছে।
(দন্ডবিধি আইনের ৩০৫ ধারা)
যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত ব্যাক্তি কর্তৃক খুনের চেষ্টাঃ
যদি
কোন ব্যাক্তি যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত হয়ে খুনের চেষ্টা করে তাহলে তাহলে উক্ত
অপরাধের জন্য মৃত্যুদন্ডের বিধান রয়েছে।
(দন্ডবিধি আইনের ৩০৭ ধারা)
স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাতঃ
যদি
কোন ব্যাক্তি স্বেচ্ছাকৃতভাবে দুই চোখ উপড়াইয়া ফেলে উক্ত অপরাধের জন্য
মৃত্যুদন্ডের বিধান রয়েছে।
(দন্ডবিধি আইনের ৩২৬(ক) ধারা)
খুনের উদ্দেশ্য অপহরণঃ
যদি
কোন ব্যাক্তি ১০ বছরের কম বয়স্ক কোন শিশুকে খুন, গুরুতর আঘাত বা অপ্রকৃত কামনা
চরিতার্থ করার উদ্দেশ্য অপহরন করে তাহলে উক্ত অপরাধের জন্য মৃত্যুদন্ডের বিধান
রয়েছে।
(দন্ডবিধি আইনের ৩৬৪(ক) ধারা)
খুনসহ ডাকাতিঃ
ডাকাতি
করাকালে খুন করলে উক্ত অপরাধের জন্য মৃত্যুদন্ডের বিধান রয়েছে।
(দন্ডবিধি
আইনের ৩৯৬ ধারা)
বিশেষ
ক্ষমতা আইন অনুযায়ীঃ
যদি
কোন ব্যক্তি মজুদদারী বা কালো বাজারী, কারেন্সি নোট বা সরকারি স্টাম্প জাল, চোরাচালান
করে, ভেজাল দেওয়া খাদ্য,পানীয়,ঔষধ ও প্রসাধনী বিক্রয় করে তাহলে উক্ত অপরাধের
জন্য আদালত মৃত্যুদন্ড দিতে পারে।
অস্ত্র আইন অনুযায়ীঃ
যদি
কোন ব্যাক্তি অন্য কোনো ব্যাক্তিকে হত্যার উদ্দেশ্যে পিস্তল, রিভলবার, রাইফেল,
শর্টগান, নিজ হেফাজতে রেখে সজ্জিত থাকে তাহলে উক্ত অপরাধের জন্য আদালত মৃত্যুদন্ড
দিতে পারে।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন অনুযায়ীঃ
দহনকারী
ক্ষয়কারী, বিষাক্ত পদার্থ দ্বারা নারীর মৃত্যু ঘটালে, নারী ও শিশু দৃষ্টি শক্তি,
শ্রবণ শক্তি নষ্ট করলে, নারী পাচার করলে, শিশু পাচার করলে, নারীকে পতিতালয়ে
বিক্রি করলে, ধর্ষণ করে কোন নারীর মৃত্যু ঘটালে, দলবদ্ধভাবে কোন নারীকে ধর্ষণ করে
মৃত্যু ঘটালে,যৌতুকের জন্য মৃত্যু কোনো নারীর মৃত্যু ঘটালে তাহলে উক্ত অপরাধের জন্য
আদালত মৃত্যুদন্ড দিতে পারে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ীঃ
হেরোইন
বা কোকেন জাতীয় মাদকদ্রব্য, প্যাথিডিন, মরফিন,অপিয়াম, জাতীয়
মাদকদ্রব্য হেফাজতে রাখলে তাহলে উক্ত অপরাধের জন্য আদালত মৃত্যুদন্ড দিতে পারে।
এসিড আইন অনুযায়ীঃ
এসিড
দ্বারা মৃত্যু ঘটালে বা আহত করলে তাহলে উক্ত অপরাধের জন্য আদালত মৃত্যুদন্ড দিতে
পারে।
(যদি
কোনো ব্যাক্তি এই পোস্টে বর্ণিত অপরাধসমূহ করে থাকে ও উক্ত অপরাধ প্রমানিত হয়।
তাহলে বাংলাদেশের আদালত সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী অপরাধীকে মৃত্যুদন্ড প্রদান করতে
পারে)
জামিনঃ
আইনানুগ ভাবে কিছু নির্দিষ্ট শর্ত অনুযায়ী সাময়িক মুক্তি প্রদানকে
জামিন বা bail বলে।কিভাবে জামিন নিবেন, জামিনের পদ্ধতি বিস্তারিত জানার আগে জানা
প্রয়োজন, আমলের অযোগ্য (ছোট আপরাধ), শিশু অথবা নারীর ক্ষেত্রে থানা থেকে জামিন
দেওয়ার বিধান রয়েছে। তবে বেশিরভাগ সময়ই আইনি জটিলতা এড়ানোর জন্য থানা থেকে জামিন
দেওয়া হয় না। তাই সাধারণত সকল আসামীকে আদালত থেকে জামিন নেওয়ার জন্য আবেদন করতে
হয়। আজকে আমরা কিভাবে জামিন নেবেন, জামিনর পদ্ধতি বিস্তারিত এই পোস্টে আলোচনা করার
চেষ্টা করব। আশা করি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানতে পারবেন।
কিভাবে জামিন নেবেনঃ
কোন ধরনের মামলা অথবা অভিযোগ আসলে আমরা প্রথমেই আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে
পড়ি তা ঠিক নয়। কোন ব্যাক্তিকে পুলিশ গ্রেফতার করলে সে প্রকৃতপক্ষে অপরাধী এমনটা
নয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে নিরপরাধ ব্যাক্তিও আইনি জটিলতার সম্মুখিন হয়ে গ্রেফতারের
শিকার হয়। আইনজীবির মাধ্যমে কোন অভিযুক্ত আদালতে বিচারকের কাছে জামিনের জন্য আবেদন
করে থাকে। কোন অপরাধের অভিযুক্ত ব্যাক্তি রায় প্রদানের আগ মুহুর্ত পর্যন্ত জামিনের
জন্য আবেদন করতে পারে । আদালত প্রয়োজন বোধে যে কোন সময় অপরাধীকে জামিন দিতে পারেন।
ফেসবুকে যে কাজগুলো করলে ১০ বছরের জেল পর্যন্ত হতে পারে।
আদালত যে সকল শর্তে
আসামীর জামিন মঞ্জুর করেনঃ
০১। অভিযুক্ত ব্যাক্তি নির্দিষ্ট দিন ও তারিখে আদালতে হাজির হবেন।
০২। অ়ভিযুক্ত ব্যাক্তির স্থায়ী ঠিকানা থাকতে হবে।
০৩। জামিনে মুক্তি পেয়ে বাদী কিংবা স্বাক্ষীকে ভয়ভীতি দেখাবে না।
০৪। অভিযুক্ত ব্যাক্তির পর্যাপ্ত জামিনদার থাকতে হবে- (মা,বাবা, গণ্যমান্য ব্যাক্তি,
অথবা আইনজীবীও জামিনদার হতে পারে)
০৫। জামিনে মুক্তি পেয়ে মামলার তদন্তকার্যে বাধা সৃষ্টি করবে না।
সহজে কারা জামিন পাবেনঃ
কোন নারী অথবা শিশু (১৮ বছরের নিচে), অতিবৃদ্ধ, কোন গুরুতর অসুস্থ
কোন ব্যাক্তি,আমলের অযোগ্য অপরাধে অপরাধী কোন ব্যাক্তি, অথবা যদি আদালতকে অভিযুক্ত
ব্যাক্তি বুঝাতে সক্ষম হন যে অপরাধের জন্য তাহাকে গ্রেফতার করা হয়েছে প্রকৃতপক্ষে
সে অপরাধে অপরাধী নয় । তাছাড়া যদি কোন ব্যাক্তি অপরাধের ঘটনার সাথে জড়িত নয় মর্মে
কোন দালিলিক প্রমাণপত্র দেখাতে পারে তারা সহজে জামিন পাবেন।
জামিন কি বাতিল হতে
পারেঃ
কোন অভিযুক্ত ব্যাক্তি অথবা আসামী জামিনে মুক্তি পেয়ে যে সকল শর্তে
জামিন দেওয়া হয়েছিল তার যে কোন একটি ভঙ্গ করলে বাদী অথবা তার পক্ষের কোন লোকের
আবেদনের প্রেক্ষিতে যে কোন সময় আদালত জামিন বাতিল করতে পারেন। সেক্ষেত্রে আদালত
অভিযুক্ত ব্যাক্তির নামে গ্রেফতারী পরোয়ানা ইস্যু করে গ্রেফতার করে পুনরায় জেল
হাজতে পাঠাতে পারেন।
আত্মরক্ষার ব্যাক্তিগত
অধিকার
নিজের জানমাল ও অপরের জানমাল রক্ষার জন্য আক্রমণকারীর আক্রমণ
প্রতিহত করার জন্য যে অধিকার প্রয়োগ করা হয় তাই আত্মারক্ষার ব্যাক্তিগত
অধিকার।দন্ডবিধি আইনের ৯৯ ধারার বিধিনিষেধ সাপেক্ষে দণ্ডবিধি আইনের ১০০ ধারা মতে
দেহ রক্ষা ও ১০৩ ধারা মতে সম্পত্তি ও দেহ রক্ষার জন্য আক্রমণকারীর মৃত্যু পর্যন্ত
ঘটানো যায়। আজকের পোস্টে যে সকল ক্ষেত্রে আত্মরক্ষার জন্য খুন করলেও অপরাধ হবে না
তার বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।
যে সকল ক্ষেত্রে দেহ
রক্ষার জন্য মৃত্যু ঘটানো যায় তা আলোচনা করা হল।
দণ্ডবিধি আইনের ১০০ ধারা অনুযায়ী
০১।এমন আক্রমণ করা হলে যার প্রকারন্তরে মৃত্যু হবে একামাত্র কারন।
০২। আক্রমণ করা হলে যার ফলে গুরুতর আঘাতের সম্ভাবনা রয়েছে (দঃ বিঃ
৩২০ ধারায় গুরুতর আঘাতের বর্ণনা আছে)
০৩।ধর্ষণের অভিপ্রায়ে আক্রমণ করা হলে।
০৪। অপ্রকৃত কাম লালসা চরিতার্থ করনের অভিপ্রায়ে আক্রমণ করা হলে।
০৫। অপহরণের উদ্দেশ্য আক্রমণ করা হলে।
০৬। এইরুপ পরিস্থিতিতে কোন ব্যাক্তিকে অবৈধভাবে আটক রাখিবার
অভিপ্রায়ে আক্রমণ, যেই পরিস্থিতির জন্য এইরুপ আতঙ্ক সৃষ্টি হইবার সম্ভাবনা থাকে যে
তাহার মুক্তির জন্য সে সরকারি কর্তৃপক্ষের আশ্রয় নিতে অসমর্থ হইবে।
যে সকল ক্ষেত্রে
সম্পত্তি রক্ষার জন্য মৃত্যু ঘটানো যায় তা আলোচনা করা হল
দণ্ডবিধি আইনের ১০৩ ধারা অনুযায়ী
০১। দস্যুতা
০২। রাত্রিবেলায় অপথে গৃহে প্রবেশ।
০৩। বাসগৃহ বা সম্পত্তি সংরক্ষণের স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয় এমন
ইমারত তাঁবুতে, জাহাজে অগ্নিকাণ্ড সাহায্য সংগঠিত ক্ষতি
০৪। এইরুপ অবস্থায় চুরি, ক্ষতি বা অনধিকার গৃহপ্রবেশ যা যুক্তিসঙ্গতভাবে এইরুপ ভয়ের
সৃষ্টি করতে পারে যে অনুরুপ ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষা অধিকার প্রয়োগ করা না হলে মৃত্যু বা গুরুতর
জখম হইবে ইহার পরিণতি।
দন্ডবিধি আইনের ১০১ ধারা মোতাবেক দেহ রক্ষা ও ১০৪ ধারা মোতাবেক
আক্রমণকারীর আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য মৃত্যু ব্যতীত অন্যান্য ক্ষতিসাধন করা যাবে
তবে দন্ডবিধি আইনের ১০২ ও ১০৫ ধারা মোতাবেক দেহরক্ষা ও সম্পত্তি
রক্ষার ক্ষেত্রে যতক্ষণ আক্রমণকারীর আক্রমণ অব্যাহত থাকে ততক্ষণই আত্মারক্ষার
ব্যাক্তিগত অধিকার থাকবে।
নোটঃ দন্ডবিধি আইনের ৯৯
ধারা মোতাবেক আত্মরক্ষার জন্য যতটুকু বল প্রয়োগের প্রয়োজন ঠিক ততটুকু বল প্রয়োগ
করা যাবে, আত্মরক্ষার জন্য যতটুকু ক্ষতির প্রয়োজন ঠিক ততটুকুই ক্ষতি করা যাবে তার
চেয়ে অধিক ক্ষতি করা যাবে না, যে ক্ষেত্রে সরকারি কর্তৃপক্ষের আশ্রয় লাভের সুযোগ
থাকে সেই ক্ষেত্রে আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগ করা যাবে না, সরকারি
কর্মচারীর আইন সংঙ্গত কাজের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগ করা
যাবে না যদি না মৃত্যু বা গুরুতর জখমের আশঙ্কা দেখা না দেয় ।
চুরি কাকে বলেঃ
আমাদের
দেশে বিভিন্ন ধরনের চুরির ঘটনা অহরহ ঘটছে। অভ্যাসগত ও পেশাদার দুই ধরনের চুরির
শাস্তি আইনে রয়েছে। চুরির শাস্তি কি? গৃহ হইতে চুরি করলে কত দিনের জেল হয় তা জানার
আগে চুরি কাকে বলে আলোচনা করা প্রয়োজন।আইনের ভাষায় যদি কোন ব্যাক্তি অপর কোন ব্যাক্তির
দখল হইতে উক্ত ব্যাক্তির সম্মতি ব্যতিরেকে কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসৎ উদ্দেশ্য এক
স্থান হইতে অন্য স্থানান্তর করে তখন থাকে চুরি বলে। চুরি করার ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত
০৫ টি কারণ থাকতে হবে।
০১।
ব্যাক্তির সম্মতি ব্যাতিরেকে।
০২। অস্থাবর সম্পত্তি হতে হবে।
০৩। অসৎ উদ্দেশ্য থাকতে হবে।
০৪। অসাধুভাবে স্থানান্তর করতে হবে।
০৫। কোন ব্যাক্তির দখল হইতে হতে হবে।
(দন্ডবিধি আইন ৩৭৮ ধারা)
চুরির
বিভিন্ন ধরনের প্রকারভেদ রয়েছে। যেমন চুরির শাস্তি, গৃহ হইতে চুরির শাস্তি, চাকর
কর্তৃক চুরির শাস্তি, আঘাতের প্রস্তুতি নিয়ে চুরির শাস্তি ইত্যাদি। চুরির ভিন্নতা
অনুযায়ী শাস্তির বিষয়ে আইনে ভিন্নতা রয়েছে। নিম্নে চুরির শাস্তি কি? গৃহ হইতে চুরি
করলে কত দিনের জেল হয় প্রভৃতি বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পারবেন।
চুরির শাস্তি কিঃ
যদি
কোন ব্যাক্তি চুরি করে তাহলে উক্ত ব্যাক্তি ০৩ বছর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম
অথবা বিনাশ্রম মেয়াদের কারাদন্ড তদুপরি অর্থ দন্ডে দন্ডিত হবেন।(দন্ডবিধি আইন ৩৭৯
ধারা)
ডাকাতির শাস্তি কি?
ডাকাতির মাল ক্রয় করা কি অপরাধ!
গৃহ হইতে চুরির শাস্তিঃ
যদি
কোন ব্যাক্তি অপর কোন ব্যক্তির বসতগৃহ হইতে চুরি করে তাহলে উক্ত ব্যাক্তি ০৭ বছর
পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম অথবা বিনাশ্রম মেয়াদের কারাদন্ড তদুপরি অর্থ দন্ডে
দন্ডিত হবেন।(দন্ডবিধি আইন ৩৮০ ধারা)
চাকর কর্তৃক চুরির
শাস্তিঃ
যদি
কোন চাকর বা ভূত্য মালিকের সম্পত্তি চুরি করে তাহলে উক্ত ব্যাক্তি ০৭ বছর পর্যন্ত
যে কোন মেয়াদের সশ্রম অথবা বিনাশ্রম মেয়াদের কারাদন্ড তদুপরি অর্থ দন্ডে দন্ডিত
হবেন। (দন্ডবিধি আইন ৩৮১ ধারা)
আঘাতের প্রস্তুতি নিয়ে
চুরির শাস্তিঃ
যদি
কোন ব্যাক্তি চুরি করার আগে, চুরি করার সময় অথবা চুরি করে পালানোর সময মারাত্মক
আঘাত বা আক্রমণের প্রস্তুতি সহকারে চুরি করে তাহলে তাহলে উক্ত ব্যাক্তি ১০ বছর
পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম অথবা বিনাশ্রম মেয়াদের কারাদন্ড তদুপরি অর্থ দন্ডে
দন্ডিত হবেন। (দন্ডবিধি আইন ৩৮২ ধারা)
পরিহিত বা বাহিত
সম্পত্তি চুরির শাস্তিঃ
যদি
কোন ব্যাক্তি অন্য কোন ব্যাক্তির পরিহিত বা বাহিত সম্পত্তি চুরি করিবার উদ্যেগ
করিয়া উক্ত ব্যাক্তিকে আক্রমণ করে বা বলপ্রয়োগ করে তাহলে উক্ত ব্যাক্তি ০২ বছর
পর্যন্ত কারাদণ্ড বা জরিমানা দন্ড বা উভয় দন্ড পর্যন্ত হতে পারে। (উদাহারন-
রাস্তাঘাটে মানুষের শরীর হইতে চুরির শাস্তি) ( দন্ডবিধি আইন ৩৫৬ ধারা)
মামলা কত প্রকার, কারা
মামলা করতে পারেন
শিশুর দেহাবরণ হইতে
চুরির শাস্তিঃ
যদি
কোন ব্যাক্তি ১০ বছরের কোন শিশু দেহাবরণ হইতে অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে চুরি
করার উদ্দেশ্য শিশুকে অপহরণ বা প্রতারণাপূর্বক হরন করে তাহলে উক্ত ব্যাক্তি ০৭ বছর পর্যন্ত যে
কোন মেয়াদের সশ্রম অথবা বিনাশ্রম মেয়াদের কারাদন্ড তদুপরি অর্থ দন্ডে দন্ডিত হবেন।
(দন্ডবিধি আইন ৩৬৯ ধারা)
কোন ব্যাক্তি কর্তৃক
বদ্ধপাত্র ভাঙ্গিয়া চুরির শাস্তিঃ
যদি
কোন ব্যাক্তি কোন বদ্ধপাত্র বা যে বদ্ধপাত্রে সম্পত্তি আছে বিশ্বাস করে তা
ভাঙ্গিয়া চুরি করে তাহলে উক্ত ব্যাক্তির ০২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা জরিমানাদন্ড
বা উভয় দন্ড পর্যন্ত হতে পারে। (উদাহারন-কোন ব্যাক্তি কর্তৃক ক্যাশবাক্স ভাঙ্গিয়া
চুরির শাস্তি) ( দন্ডবিধি আইন ৪৬১ ধারা)
হেফাজতের ভারপ্রাপ্ত
ব্যাক্তি কর্তৃক বদ্ধপাত্র ভাঙ্গিয়া চুরির শাস্তিঃ
যদি
কোন ব্যাক্তি কোন বদ্ধপাত্র বা যে বদ্ধপাত্রে সম্পত্তি আছে বলে তাহার বিশ্বাস
করিয়া বদ্ধপাত্র হেফাজতের দায়িত্ব থাকিয়া অনিষ্টের জন্য ভাঙ্গিয়া উন্মুক্ত করে
তাহলে উক্ত ব্যাক্তির ০৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা জরিমানাদন্ড বা উভয় দন্ড পর্যন্ত
হতে পারে। (উদাহারন-দোকানের কর্মচারী কর্তৃক ক্যাশবাক্স ভাঙ্গিয়া চুরির শাস্তি) (
দন্ডবিধি আইন ৪৬২ ধারা)
অপরাধঃ
যে
সকল কাজ আইনে করতে বলা হয়েছে তা না করলে অথবা যে সকল কাজ আইনে না করতে বলা হয়েছে
তা করাই হল অপরাধ। ছোট বড় বিভিন্ন ধরনের অপরাধ রয়েছে। অপরাধের ধরণ ও প্রকৃতি
অনুসারে বিভিন্ন ধরনের শাস্তির বিধান রয়েছে। অপরাধের শাস্তি হিসেবে জেল জরিমানা
করা হয়। আবার কিছু অপরাধ করলে আইনে মৃত্যুদন্ড দেওয়ার বিধান রয়েছে। আজকে
বাংলাদেশে প্রযোজ্য যে সকল অপরাধ করলে মৃত্যুদন্ড দেওয়ার বিধান রয়েছে তা আলোচনা
করা হবে। পোষ্টটি মনোযোগ সহকারে পড়লে নতুন তথ্য জানতে পারবেন।
বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধঃ
যদি
কোন ব্যাক্তি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে,করার উদ্যেগ গ্রহন বা সহায়তা করে
তাহলে উক্ত অপরাধের জন্য মৃত্যুদন্ডের বিধান রয়েছে।
(দন্ডবিধি আইনের ১২১ ধারা)
মিথ্যা স্বাক্ষ্যঃ
যদি
কোন ব্যাক্তি মিথ্যা স্বাক্ষ্য প্রদান করে এবং উক্ত মিথ্যা স্বাক্ষ্যের জন্য কোন
নিরাপরাধ ব্যাক্তিকে মৃত্যুদন্ড দেওয়া হয় তাহলে উক্ত অপরাধের জন্য
মৃত্যুদন্ডের বিধান রয়েছে।
(দন্ডবিধি আইনের ১৯৪ ধারা)
খুন করাঃ
যদি
কোন ব্যাক্তি অন্য কোন ব্যাক্তিকে খুন করে তবে তাহলে উক্ত অপরাধের জন্য
মৃত্যুদন্ডের বিধান রয়েছে।
(দন্ডবিধি আইনের ৩০২ ধারা)
যাবজ্জীবন দন্ডে দন্ডিত ব্যাক্তি কতৃক খুনঃ
যদি
কোন ব্যাক্তি যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত হয়ে খুন করে তাহলে তাহলে উক্ত অপরাধের
জন্য মৃত্যুদন্ডের বিধান রয়েছে।
(দন্ডবিধি আইনের ৩০৩ ধারা)
শিশুর বা উন্মাদ ব্যাক্তির আত্মহত্যায় সহায়তাঃ
কোনো
ব্যাক্তি যদি শিশু, বয়ষ্ক বা অপ্রকৃতস্থ ব্যাক্তিকে আত্মহত্যায় সহায়তা করে তাহলে
উক্ত অপরাধের জন্য মৃত্যুদন্ডের বিধান রয়েছে।
(দন্ডবিধি আইনের ৩০৫ ধারা)
যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত ব্যাক্তি কর্তৃক খুনের চেষ্টাঃ
যদি
কোন ব্যাক্তি যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত হয়ে খুনের চেষ্টা করে তাহলে তাহলে উক্ত
অপরাধের জন্য মৃত্যুদন্ডের বিধান রয়েছে।
(দন্ডবিধি আইনের ৩০৭ ধারা)
স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাতঃ
যদি
কোন ব্যাক্তি স্বেচ্ছাকৃতভাবে দুই চোখ উপড়াইয়া ফেলে উক্ত অপরাধের জন্য
মৃত্যুদন্ডের বিধান রয়েছে।
(দন্ডবিধি আইনের ৩২৬(ক) ধারা)
খুনের উদ্দেশ্য অপহরণঃ
যদি
কোন ব্যাক্তি ১০ বছরের কম বয়স্ক কোন শিশুকে খুন, গুরুতর আঘাত বা অপ্রকৃত কামনা
চরিতার্থ করার উদ্দেশ্য অপহরন করে তাহলে উক্ত অপরাধের জন্য মৃত্যুদন্ডের বিধান
রয়েছে।
(দন্ডবিধি আইনের ৩৬৪(ক) ধারা)
খুনসহ ডাকাতিঃ
ডাকাতি
করাকালে খুন করলে উক্ত অপরাধের জন্য মৃত্যুদন্ডের বিধান রয়েছে।
(দন্ডবিধি
আইনের ৩৯৬ ধারা)
বিশেষ
ক্ষমতা আইন অনুযায়ীঃ
যদি
কোন ব্যক্তি মজুদদারী বা কালো বাজারী, কারেন্সি নোট বা সরকারি স্টাম্প জাল, চোরাচালান
করে, ভেজাল দেওয়া খাদ্য,পানীয়,ঔষধ ও প্রসাধনী বিক্রয় করে তাহলে উক্ত অপরাধের
জন্য আদালত মৃত্যুদন্ড দিতে পারে।
অস্ত্র আইন অনুযায়ীঃ
যদি
কোন ব্যাক্তি অন্য কোনো ব্যাক্তিকে হত্যার উদ্দেশ্যে পিস্তল, রিভলবার, রাইফেল,
শর্টগান, নিজ হেফাজতে রেখে সজ্জিত থাকে তাহলে উক্ত অপরাধের জন্য আদালত মৃত্যুদন্ড
দিতে পারে।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন অনুযায়ীঃ
দহনকারী
ক্ষয়কারী, বিষাক্ত পদার্থ দ্বারা নারীর মৃত্যু ঘটালে, নারী ও শিশু দৃষ্টি শক্তি,
শ্রবণ শক্তি নষ্ট করলে, নারী পাচার করলে, শিশু পাচার করলে, নারীকে পতিতালয়ে
বিক্রি করলে, ধর্ষণ করে কোন নারীর মৃত্যু ঘটালে, দলবদ্ধভাবে কোন নারীকে ধর্ষণ করে
মৃত্যু ঘটালে,যৌতুকের জন্য মৃত্যু কোনো নারীর মৃত্যু ঘটালে তাহলে উক্ত অপরাধের জন্য
আদালত মৃত্যুদন্ড দিতে পারে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ীঃ
হেরোইন
বা কোকেন জাতীয় মাদকদ্রব্য, প্যাথিডিন, মরফিন,অপিয়াম, জাতীয়
মাদকদ্রব্য হেফাজতে রাখলে তাহলে উক্ত অপরাধের জন্য আদালত মৃত্যুদন্ড দিতে পারে।
এসিড আইন অনুযায়ীঃ
এসিড
দ্বারা মৃত্যু ঘটালে বা আহত করলে তাহলে উক্ত অপরাধের জন্য আদালত মৃত্যুদন্ড দিতে
পারে।
(যদি
কোনো ব্যাক্তি এই পোস্টে বর্ণিত অপরাধসমূহ করে থাকে ও উক্ত অপরাধ প্রমানিত হয়।
তাহলে বাংলাদেশের আদালত সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী অপরাধীকে মৃত্যুদন্ড প্রদান করতে
পারে)
অপহরণ কি? অপহরণের শাস্তি সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা।
অপহরণ কিঃ
কোন ব্যাক্তি অন্য কোন ব্যাক্তিকে কোন স্থান হইতে গমন করিবার জন্য
জোরপূর্বক বাধ্য করে বা প্রতারণামূলকভাবে প্রলুব্ধ করে তাহলে তা অপহরণ বলিয়া গন্য
হবে। তাছাড়া অপহরণ কি? অপহরণের শাস্তি সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা আজকে আলোচনা করা
হবে।সত্যি বলতে কি, বর্তমানে যে সকল অপরাধের সংঘটিত হচ্ছে তার মধ্যে গুম বা অপহরন
অন্যতম। প্রতিদিন বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যেমে অসংখ্য অপহরন বা গুমের খবর পাওয়া যায়।
নারী অপহরণসহ অন্যন্য অপহরণের শাস্তি সম্পর্কে
বিস্তারিতঃ
খুন, গুরুতর আঘাত, বিবাহ করিতে বাধ্য করা, মুক্তিপণ আদায়, মানব
পাচার প্রভৃতি উদ্দেশ্য বিভিন্ন বয়সের মানুষ অপহরণের শিকার হয়। প্রতিটি অপহরণের
শাস্তির বিধান আইনে রয়েছে। আজকের পোষ্টের মাধ্যমে নারী অপহরণসহ অন্যন্য অপহরণের
শাস্তি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।
ফেসবুকে যে কাজগুলো
করলে ১০ বছরের জেল পর্যন্ত হতে পারে।
মনুষ্য অপহরণের শাস্তিঃ
যদি কোন ব্যাক্তি অন্য কোন ব্যাক্তিকে বাংলাদেশ হইতে বা আইনানুগ
অভিভাবকত্ব হইতে অপহরণ করে সেই ব্যাক্তি যে কোন মেয়াদের কারাদন্ড যার মেয়াদ ০৭ বছর
পর্যন্ত হতে পারে বা জরিমানাদন্ডে দন্ডিত হবে। (দন্ডবিধি আইন ৩৬৩ ধারা)
খুন করার উদ্দেশ্য অপহরণঃ
যদি কোন ব্যাক্তি অপর কোন ব্যাক্তিকে খুনের উদ্দেশ্য অপহরণ করে বা
এরুপ ব্যবস্থা করে যার ফলে খুন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তাহলে তার শাস্তি যাবজ্জীবন
কারাদন্ড বা সশ্রম কারাদণ্ড যার মেয়াদ ১০ বছর পর্যন্ত হতে পারে তদুপরি জরিমানা
দন্ডে দন্ডিত হতে পারে। (দন্ডবিধি আইন ৩৬৪ ধারা)
১০ বছরের কম বয়স্ক ব্যাক্তিকে অপহরণের শাস্তি সম্পর্কে বর্ণনাঃ
যদি কোন ব্যাক্তি ১০ বছরের কম বয়স্ক কোন ব্যাক্তিকে খুন করা,গুরুতর
আঘাত, দাসত্ব বা অপ্রকৃত কাম লালসা চরিতাত্র করার উদ্দেশ্য অপহরণ করে তাহলে সে
ব্যাক্তি মৃত্যৃদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদন্ড বা সশ্রম কারাদণ্ড যার মেয়াদ ১৪ বছর
পর্যন্ত হতে পারে তদুপরি জরিমানা দন্ডে দন্ডিত হতে পারে। (দন্ডবিধি আইন ৩৬৪-ক
ধারা)
বিবাহ করিতে বাধ্য করার উদ্দেশ্য অপহরণের শাস্তি
সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনাঃ
যদি কোন ব্যাক্তি অন্য কোন ব্যাক্তিকে জোরপূর্বক বিবাহ করতে বাধ্য
বা যৌন সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য করার অভিপ্রায়ে কোন নারীকে অপহরণ করে তাহলে সে
ব্যাক্তি যে কোন মেয়াদের কারাদন্ড যার মেয়াদ ১০ বছর পর্যন্ত কারাদন্ড তদুপরি
জরিমানা দন্ডে দন্ডিত হতে পারে। (দন্ডবিধি আইন ৩৬৬ ধারা)
নারী অপহরণের শাস্তি সম্পর্কে বর্ণনাঃ
যদি কোন ব্যাক্তি কোন নারী বা শিশুকে অপহরণ করে তাহলে তার শাস্তি
যাবজ্জীবন কারাদন্ড বা ১৪ বছরের নিচে নয় এমন সশ্রম কারাদণ্ড ও ইহার অতিরিক্ত
অর্থদন্ডে দন্ডিত হইবেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী-২০১৮) এর ৭
ধারা।
মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্য নারী বা শিশু অপহরণের
শাস্তি সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনাঃ
যদি কোন ব্যাক্তি মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্য কোন নারী বা শিশুকে
অপহরণ করে তাহলে তার শাস্তি মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ইহার অতিরিক্ত
অর্থদন্ডে দন্ডিত হইবেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী-২০১৮) এর ৮
ধারা।
পর্ণোগ্রাফি সংক্রান্ত
সকল অপরাধের শাস্তি কি ? জেনে রাখা কেন গুরুত্বপূর্ণ!
মানব পাচারের উদ্দেশ্য অপহরণের শাস্তি সম্পর্কে
বর্ণনাঃ
যদি কোন ব্যাক্তি মানব পাচারের উদ্দেশ্য কোন ব্যাক্তিকে অপহরণ,গোপন
বা আটক করিয়া রাখে তাহলে তার শাস্তি ৫ বছরের নিচে নয় এবং ১০ বছরের উপরে এমন
কারাদণ্ড বা ২০ হাজার টাকার উপরে জরিমানা দন্ডে দন্ডিত হবেন। (মানব পাচার প্রতিরোধ
ও দমন আইন ২০১২ এর ১০(১) ধারা)
মানব পাচারের উদ্দেশ্য নবজাতক শিশুকে অপহরণের শাস্তি সম্পর্কে
বর্ণনাঃ
তাছাড়া যদি কোন ব্যাক্তি মানব পাচারের উদ্দেশ্য কোন নবজাতক শিশুকে
(৪০ দিনের কম বয়স) হাসপাতাল, সেবা-সদন, মাতৃ-সদন,শিশু-সদন বা উক্ত শিশুকে পিতা
মাতার হেফাজত হতে চুরি করলে বা অপহরণ করলে অপরাধী বলে গণ্য হবেন।
উক্ত অপরাধের শাস্তি অনধিক যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (অর্থাৎ সর্বোচ্চ
যাবজ্জীবন কারাদন্ড) বা অন্যূন ৫ বছর কারাদন্ড (অর্থাৎ নিম্নে ৫ বছরের কারাদণ্ড)
এবং অন্যূন ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ডে দন্ডিত হইবে।মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন
২০১২ এর ১০(২) ধারা)
যদি কোন ব্যাক্তি,নারী বা শিশুর বিরুদ্ধে আলোচিত অপরাধ সংঘটিত হয়
তাহলে তিনি বা তার পক্ষের কোন লোকের মাধ্যেম ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দিয়ে থানায় বা
আদালতে লিখিত অভিযোগ দাখিল করতে পারবেন। তাহার অভিযোগ থানা গ্রহণ করলে জিআর মামলা
এবং কোর্টে অভিযোগ দায়ের করলে সিআর মামলা রুজু হবে।
No comments:
Post a Comment